দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনা এক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন এবং কুয়েতে অবস্থিত তিনটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে কয়েক দফায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌশাখা। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি-র নৌপ্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি জানিয়েছেন, আবুধাবির আল-ধাফরা, কুয়েতের আল-আদিরি এবং বাহরাইনের শেখ ঈসা ঘাঁটিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই হামলায় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক প্যাট্রিয়ট রাডার ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান এবং বিমানের জ্বালানি মজুত রাখার ট্যাংকগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিতেই এই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।
এদিকে, ইরানের খারগ দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর হামলার প্রতিক্রিয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে আইআরজিসি।
এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ইরানের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এখন থেকে আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সমস্ত গোপন আস্তানা ও সামরিক স্থাপনা ইরানের জন্য বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হবে।
আইআরজিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে, আমিরাতের বিভিন্ন শহরে আশ্রয় নেওয়া মার্কিন শত্রু, তাদের ক্ষেপণাস্ত্রের উৎসস্থল, বন্দর এবং ডকগুলো এখন তাদের নিশানায় রয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাধারণ বাসিন্দাদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে ইরান। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে আমিরাতের জনবহুল এলাকাগুলোতে বসবাসরত সাধারণ মানুষকে মার্কিন সামরিক স্থাপনা, বন্দর ও ডক থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে এখন চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে।