দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাঈনি জানিয়েছেন, ইরান বর্তমান সংঘাতের সময় আরব অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও ‘কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে’ আক্রমণে তার সামরিক শক্তির ৬০ শতাংশ ব্যবহার করছে। বাকি ৪০ শতাংশ লক্ষ্যবস্তু ইসরায়েলি শাসিত এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে।
টেলিভিশনে সম্প্রচারিত বক্তব্যে নাঈনি বলেন, ‘আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে এই যুদ্ধে প্রধান শত্রু হিসেবে বিবেচনা করি। এজন্য তাদের শাস্তি প্রদানে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মার্কিন বাহিনী দীর্ঘ ৭০ বছর ধরে এই অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করেছে।’
তিনি আরও জানান, ইরান ৮০টি হামলা করা ড্রোনকে ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি বড় ও অত্যাধুনিক মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন এবং ৭৪টি ইসরায়েলি ড্রোন।
আইআরজিসি জানায়, তাদের ভারী ক্ষেপণাস্ত্র, ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, বিভিন্ন ধরণের ড্রোন ও আক্রমণাত্মক নৌযান সম্পূর্ণরূপে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যাপক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। নাঈনি বলেন, ‘আমাদের কোনও উদ্বেগের কারণ নেই। মার্কিন ঘাঁটি আমাদের বৈধ লক্ষ্যবস্তু।’
সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের প্রকল্পাইল আক্রমণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পেয়েছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এই সময়কালে ২৩৫টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১,৪০০টির বেশি ড্রোন সনাক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/