দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কাতারে অবস্থানরত স্কোয়াড্রনে যুক্তরাজ্য আরও চারটি টাইফুন যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এ ছাড়া ভূমধ্যসাগরে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর রণতরী ‘এইচএমএস ড্রাগন’ মোতায়েন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সাড়ে ৩টায় ডাউনিং স্ট্রিটের বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
স্টারমার জানান, অ্যান্টি-ড্রোন সক্ষমতা সম্পন্ন ‘ওয়াইল্ডক্যাট’ হেলিকপ্টার আগামীকাল সাইপ্রাসে পৌঁছাবে। এইচএমএস ড্রাগন যুদ্ধজাহাজকে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েন করা হচ্ছে।
স্টারমার বলেন, ‘এ অঞ্চলে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিক এবং আমাদের মিত্রদের রক্ষায় আমরা এই নিরাপত্তা ঢাল বজায় রাখব।’
তিনি আরও জানান, উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে এবং এ পর্যন্ত ১ লাখ ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ ব্রিটিশ সরকারের কাছে তাদের উপস্থিতির কথা নিবন্ধন করেছেন।
অঞ্চলের পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্টারমার বলেন, উত্তেজনা প্রশমন করা এখন সবার জন্য জরুরি। তিনি জানান, তার দল সার্বক্ষণিকভাবে আমেরিকানদের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে (যেখানে ট্রাম্প স্টারমারকে ‘উইনস্টন চার্চিল নন’ বলে অভিহিত করেছিলেন) স্টারমারের কাছে জানতে চাওয়া হয় যে, এতে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে কি না।
স্টারমার উত্তর দেন, ‘বিশেষ সম্পর্কটি বর্তমানে কার্যকর রয়েছে।’ গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং যৌথ ঘাঁটি ব্যবহারের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবেন এবং তিনি নিজে যুক্তরাজ্যের স্বার্থে কাজ করবেন—এতে বিতর্কিত কিছু নেই।
সরকারের প্রতিক্রিয়ার গতি নিয়ে সমালোচনার জবাবে স্টারমার বলেন, ব্রিটেন জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই মোতায়েন শুরু করেছিল। এই সিদ্ধান্তগুলো বিচ্ছিন্ন ছিল না, বরং যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য মিত্রদের সঙ্গে সমন্বয় করেই নেওয়া হয়েছে।
এবি/