দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের দিকে পরিচালিত করতে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
তিনি ব্যক্তিগতভাবে কয়েক মাস ধরে লবিং করেছেন এবং এটি নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন যে, কোনো কূটনৈতিক আলোচনা যেন সামরিক হামলার পরিকল্পনাকে নস্যাৎ করতে না পারে।
সোমবার (২ মার্চ) মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, আইনপ্রণেতা এবং গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ সরাসরি আলোচনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই প্রতিবেদনে ইরানের ওপর মার্কিন হামলাকে নেতানিয়াহুর জন্য একটি ‘উল্লেখযোগ্য বিজয়’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১১ ফেব্রুয়ারি যখন নেতানিয়াহু ওভাল অফিসে প্রবেশ করেন, তখন তার লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট: ওমানের মধ্যস্থতায় ইরানের সঙ্গে পরমাণু আলোচনা শুরু হওয়া সত্ত্বেও ট্রাম্পকে সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্তে অবিচল রাখা।
টাইমস জানিয়েছে, দুই নেতা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে সম্ভাব্য হামলার তারিখ এবং কূটনৈতিক সমাধানের ক্ষীণ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।
নেতানিয়াহু প্রথম গত ডিসেম্বরে ট্রাম্পের মার-এ-লাগো রিসোর্টে সফরের সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সাইটগুলোতে আঘাত হানার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। দুই মাস পরে, তিনি আরও বড় কিছু নিশ্চিত করেন: ইরানি নেতৃত্বকে আক্রমণ করার অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রকে পূর্ণ সহযোগী হিসেবে পাওয়া।
দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় ছিল অত্যন্ত গভীর। জানুয়ারি মাসে নেতানিয়াহু যখন বুঝতে পারেন যে ইসরায়েলের নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার জন্য আরও সময়ের প্রয়োজন, তখন তিনি ট্রাম্পকে ফোন করে হামলা বিলম্বিত করার অনুরোধ জানান এবং ট্রাম্প তাতে রাজি হন।
পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে ইসরায়েলের জ্যেষ্ঠ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ওয়াশিংটন সফর করেন এবং ইসরায়েলি সেনাপ্রধান নিয়মিতভাবে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেন।
এবি/