দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদের ইমাম শেখ মোহাম্মদ আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মসজিদ চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী আল-আকসা মসজিদ চত্বর থেকে শেখ আল-আব্বাসিকে আটক করেছে। তবে গ্রেপ্তারের কোনো কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
পবিত্র আল-আকসা মসজিদ ঘিরে ইসরায়েলের বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ জোরদারের মাঝেই মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তারের এই ঘটনা ঘটেছে। মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমাম, খতিব ও মুসল্লিদের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইসরায়েল। তবে সেখানে ইসরায়েলি পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
আল-আকসা মসজিদের ইমাম আল-আব্বাসিকে গ্রেপ্তারের ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে হামাস বলেছে, গ্রেপ্তারকৃত ইমামের মসজিদে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছিল ইসরায়েল। তাকে গ্রেপ্তারের এই ঘটনা আল-আকসায় প্রকাশ্য হস্তক্ষেপ এবং ইমামদের ওপর অগ্রহণযোগ্য হামলার শামিল।
হামাস আরও অভিযোগ করে, ‘ফ্যাসিবাদী দখলদার সরকার’ আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন, মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা, রমজান মাসের প্রস্তুতি ব্যাহত করা এবং বসতি স্থাপনকারী গোষ্ঠীগুলোর অভিযান জোরদার করছে। তাদের দাবি, এসব পদক্ষেপ মসজিদটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া, ‘ইহুদিকরণ’ এবং সেখানে ইবাদতের স্বাধীনতা সীমিত করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ। পাশাপাশি সময় ও স্থানভিত্তিক বিভাজন আরোপের চেষ্টাও চলছে বলে অভিযোগ করা হয়।
জেরুজালেমে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি জনগণ, পশ্চিম তীরজুড়ে এবং ১৯৪৮ সালের ভূখণ্ডের ভেতরে থাকা ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় অবস্থান অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে হামাস।
এ ছাড়া আরব লীগ, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং আরব ও মুসলিম দেশগুলোর প্রতি জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায় হামাস।
আল-আকসা মসজিদকে ‘ইহুদিকরণ’-এর ঝুঁকি থেকে রক্ষায় সব কূটনৈতিক ও কার্যকর চ্যানেল ব্যবহার করে দখলদার পক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বানও জানায় হামাস।
অধিকৃত জেরুজালেমের পুরনো শহর ও আল-আকসা মসজিদসংলগ্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ফিলিস্তিনি কর্মীদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও নিষেধাজ্ঞা জারি এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের মধ্যেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু
/অ