দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পবিত্র রমজান মাসে সৌদি আরবের পবিত্র দুই নগরী মক্কা ও মদিনায় স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি তাপমাত্রা অনুভূত হতে পারে। সৌদি আরবের আবহাওয়া অধিদপ্তর (এনসিএম) এক প্রাথমিক জলবায়ু পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে জানানো হয়েছে, এবারের রমজান মাসে মক্কা ও মদিনা নগরীতে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিকের তুলনায় কম হতে পারে। একই সঙ্গে তাপমাত্রাও গড়ের চেয়ে সামান্য বেশি থাকার আভাস দিয়েছে কেন্দ্রটি।
এনসিএমের তথ্যমতে, পুরো মাসজুড়ে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও মৌসুমি গড় বৃষ্টিপাতের নিচে থাকার সম্ভাবনাই বেশি। সাধারণত এ সময়ে মক্কায় মাসিক গড় বৃষ্টিপাত প্রায় ৪ দশমিক ২ মিলিমিটার এবং মদিনায় প্রায় ৪ দশমিক ৩ মিলিমিটার। তবে চলতি রমজানে বৃষ্টি হলেও তা স্বল্পমাত্রায় এবং বিচ্ছিন্নভাবে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাপমাত্রার ক্ষেত্রেও কিছুটা উষ্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মক্কায় গড় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত এবং মদিনায় প্রায় ১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকলেও রাতের দিকে আবহাওয়া কিছুটা সহনীয় থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া বিশ্লেষকদের মতে, রমজান মাসে সাধারণত ইবাদত, তারাবিহ, উমরাহ এবং মসজিদুল হারামে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে মুসল্লিদের জন্য আবহাওয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
তাপমাত্রা সামান্য বেড়ে গেলে বিশেষ করে দিনের বেলায় রোজাদারদের জন্য ক্লান্তি ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা, পর্যাপ্ত পানি পান এবং রোদ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববির এলাকায় রমজানে মুসল্লিদের ব্যাপক সমাগম হয়। ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও কম বৃষ্টিপাতের প্রভাব জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা প্রস্তুতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এনসিএম জানিয়েছে, এটি একটি প্রাথমিক জলবায়ু পূর্বাভাস। পরিস্থিতি পরিবর্তিত হলে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হবে। রমজানজুড়ে নিয়মিত আবহাওয়া বুলেটিন অনুসরণ করার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য উষ্ণ ও শুষ্ক আবহাওয়া রমজানে স্বাভাবিক ধর্মীয় কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি না করলেও সতর্কতা ও প্রস্তুতি থাকলে ভক্তদের ইবাদত আরও স্বস্তিদায়ক হতে পারে।
কে