দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র। কারণ হিসেবে দেশটি দাবি করেছে, জাতিসংঘের এই সংস্থা কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলায় যে ব্যর্থতা দেখিয়েছে, সেজন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতির কারণ বলেও মনে করছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) মার্কিন স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র দপ্তর যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। খবর রয়টার্স
প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজের প্রেসিডেন্সির প্রথম দিনেই একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহারের নোটিশ দেন।
এরপর এক বছর ধরে সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছিল, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করবে।
মার্কিন স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র দপ্তরের এক যৌথ প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সীমিত পরিসরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে।
একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, ‘পর্যবেক্ষক হিসেবে অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই, এবং পুনরায় যোগ দেওয়ারও কোনো পরিকল্পনা নেই।’
যুক্তরাষ্ট্র জানায়, জনস্বাস্থ্য অগ্রাধিকারের বিষয়ে তারা আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে নয়, বরং সরাসরি অন্যান্য দেশের সঙ্গে কাজ করবে।
মার্কিন আইনের অধীনে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের এক বছর আগে নোটিশ দেওয়া এবং প্রায় ২৬০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া ফি পরিশোধ করার কথা ছিল।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, ওই আইনে অর্থ পরিশোধকে প্রত্যাহারের পূর্বশর্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
একজন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বৃহস্পতিবার ইমেইলে রয়টার্সকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ইতোমধ্যেই যথেষ্ট অর্থ দিয়েছে।’
স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক নথিতে জানায়, সরকার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় তাদের অর্থায়ন বন্ধ করে দিয়েছে। এক মুখপাত্র বলেন, ট্রাম্প তার ক্ষমতা ব্যবহার করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোনো সম্পদ হস্তান্তর স্থগিত করেছেন, কারণ সংস্থাটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ট্রিলিয়ন ডলারের ক্ষতির কারণ হয়েছে।
এবি/