দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যে দেশের কৌশলগত অবকাঠামো ও জনসাধারণের সম্পত্তি রক্ষার অঙ্গীকার করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে জনগণকে ‘শত্রুদের চক্রান্ত’ নস্যাৎ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী জানায়, সর্বোচ্চ কমান্ডার-ইন-চিফের নেতৃত্বে তারা অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দেশের জাতীয় স্বার্থ, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও জনসম্পত্তি সুরক্ষায় কঠোর অবস্থানে থাকবে। বিবৃতিতে ইসরাইল ও শত্রু সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে দেশের নিরাপত্তা দুর্বল করার চেষ্টার অভিযোগও তোলা হয়।
ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দমনে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার মধ্যেই এই বক্তব্য এলো। সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এদিকে সেনাবাহিনীর বাইরে আলাদাভাবে কাজ করা ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে, ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের অর্জন ও দেশের নিরাপত্তা রক্ষা তাদের কাছে ‘লাল রেখা’ এবং এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের জনগণের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সময়ে বিক্ষোভ দমনে ইরানি কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়।
৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ প্রথমে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুরু হলেও পরে তা ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থার অবসানের দাবিতে রূপ নেয়। রয়টার্স জানায়, শনিবার রাতেও বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতা অব্যাহত ছিল এবং তেহরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কারাজে একটি পৌর ভবনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে শুক্রবার দেওয়া বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বিক্ষোভকারীদের ‘ভাঙচুরকারী’ ও ‘নাশকতাকারী’ হিসেবে আখ্যা দেন।
এমএস/