দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এশিয়ার দেশ কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। একইসঙ্গে দেশটিতে কিছু বিদেশি সহায়তা কর্মসূচিও স্থগিত করছে মার্কিনিরা। শক্তিশালী প্রতিপক্ষহীন একতরফা সাধারণ নির্বাচনে দেশটির ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী জয়ের দাবি করার পর তারা এই ঘোষণা দিলো।
রোববার (২৩ জুলাই) দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২৪ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
এ নিষেধাজ্ঞার অংশ হিসেবে বিদেশি সহায়তা স্থগিত এবং ভিসা বাতিল করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেন, ক্ষমতাসীন কম্বোডিয়ান পিপলস পার্টি ১২৫টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২০টি আসনে জিতেছে। বেসরকারি ফল অনুসারে, কম্বোডিয়ার সাধারণ নির্বাচন ‘ফ্রি ও ফেয়ার’ কোনোটাই হয়নি।
তিনি আরও বলেন, কম্বোডিয়ার কর্তৃপক্ষ দেশটির রাজনৈতিক বিরোধী দল, মিডিয়া এবং সুশীল সমাজের বিরুদ্ধে হুমকি ও হয়রানিতে নিয়োজিত। এটি দেশটির সংবিধান এবং কম্বোডিয়ার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার চেতনাকে ক্ষুণ্ণ করেছে।
মিলার দেশটির সরকারি দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এখনও সময় আছে তারা আন্তর্জাতিক মানের একটি নির্বাচনের আয়োজন করতে পারে। বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলা বন্ধ করতে হবে। মিডিয়াকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে।
এবার ক্ষমতাশীন দল সিপিপির সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নিয়েছে ১৭টি রাজনৈতিক দল। যদিও এই সব দলের বেশিরভাগই নাম-সর্বস্ব। তাদের কোনো দলই এর আগে ২০১৮ সালের নির্বাচনে একটি আসনেও জয় পায়নি। আর তাই ব্যাপক প্রশ্নবিদ্ধ এই নির্বাচনের পরপরই কম্বোডিয়ার বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপের পাশাপাশি কিছু সহায়তা কর্মসূচি স্থগিত করে যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, গত ৩৮ বছর ধরে ক্ষমতায় রয়েছে হুন সেন। এ সময়ে তিনি বিরোধী দলের প্রতি বহুবার দমন পীড়ন চালিয়ে। শুধু তাই নয় এ নির্বাচনে যেন বিরোধী দল অংশ নিতে না পারে তার জন্য তিনি সকল পথ বন্ধ বন্ধ করে দেন।