দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়ান বাহিনীর বিরুদ্ধে মার্কিন ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করছে ইউক্রেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। শুক্রবার (২১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন দেশটিতে রাশিয়ান সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করছে বলে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে। ন্যাশনাল সিকিউরিটির মুখপাত্র জন কিরবি বলেন, রাশিয়ার প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান ও অপারেশনে মার্কিন ক্লাস্টার বোমা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই ক্লাস্টার বোমার বিশেষত্ব হলো, এতে একাধিক বিস্ফোরক বোম্বলেট থাকে। বছরের পর বছর এই বোমা অবিস্ফোরিত অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে। যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলেও পরবর্তী সময়ে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। এ কারণে বোমাটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বা বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিস্তৃত অঞ্চলে নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালানোর ক্ষমতা থাকায় একশটির বেশি দেশে এ বোমা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ইউক্রেনকে এই বোমা সরবরাহ করছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, ইউক্রেনের গোলাবারুদ ঘাটতি পূরণে এ ধরনের যুদ্ধাস্ত্র দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি খুবই কঠিন একটি সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে তিনি মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেন বলছে, নিজ ভূখণ্ডের দখল ফিরিয়ে নিতে শত্রু সেনাদের ওপর তারা ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করবে। রাশিয়ার ভূখণ্ডে ব্যবহার করবে না।
জন কিরবি বলেন, রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে ইউক্রেন ক্লাস্টার বোমা কার্যকরভাবে ব্যবহার করছে। তারা (ইউক্রেন) রাশিয়ার প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা ও কৌশলে প্রভাব ফেলছে।
রাশিয়া গত বছর ইউক্রেনের বেসামরিক এলাকায় আগ্রাসন শুরু করার পর থেকে একই ধরনের ক্লাস্টার বোমা ব্যবহার করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বোমা পাঠানোর সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়ার কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্লাস্টার বোমা আছে। ইউক্রেনে তার সেনাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের বোমা ব্যবহৃত হলে মস্কোও মজুতে থাকা মারাত্মক ওই যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহারের অধিকার রাখে।