দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজায় আবারও ভারী বোমাবর্ষণ ও গুলি চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, যা চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র।
শনিবার (২২ নভেম্বর) ভোরে রাফাহ ও খান ইউনিজের পূর্বাঞ্চলে আবাসিক ভবন ও নানা স্থাপনায় টানা বিমান হামলা চালানো হয়। স্থানীয়রা জানান, ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি ভবনে বোমা স্থাপন করে বিস্ফোরণ ঘটায়। এসব এলাকা গাজার দক্ষিণে ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত ‘হলুদ জোন’-এর মধ্যে পড়ে।
গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলের আল তুফাহ ও শুজাইয়া এলাকাতেও একই ধরনের বিস্ফোরণ, বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও মাঝে মাঝে গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। শুক্রবারও খান ইউনিজ, গাজা সিটি, বুরেইজ শরণার্থী ক্যাম্পের পূর্বাংশ এবং উত্তরের জাবালিয়া ক্যাম্পের কাছে ইসরায়েলি বাহিনী কয়েকটি ভবনে হামলা চালায়।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ইসরায়েল গাজার অর্ধেকের বেশি অঞ্চল দখল করে রেখেছে। ‘হলুদ লাইন’ চিহ্নিত এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতি ধরে রাখা হয়েছে, যা ফিলিস্তিনিদের বসবাসযোগ্য অঞ্চল থেকে পৃথক।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ওই লাইন ধরে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও হামলা বাড়িয়েছে। এতে বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আশপাশের অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জন্য ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রায় ৭০ হাজার মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী, যাদের বড় অংশই নারী ও শিশু। আহত হয়েছে এক লাখ ৭০ হাজারের বেশি মানুষ। গাজা উপত্যকার বেশিরভাগ এলাকা এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
এমএস/