দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অন্য দেশের সরকার পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের পুরোনো নীতির অবসান ঘটিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বাহরাইনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক নিরাপত্তা সম্মেলন ‘মানামা সংলাপে’ তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। আগে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ছিল অন্য দেশের সরকার পরিবর্তন করে অনুগত শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা, কিন্তু এখন গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায়।
আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব সিকিউরিটি স্টাডিজ (আইআইএসএস)’ আয়োজিত এ সম্মেলনে তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ব্যর্থ চক্রে আটকে ছিল—এক দেশে সরকার উৎখাত, অন্য দেশে আমাদের শাসনব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া, আর জানাশোনা ছাড়াই যুদ্ধের জড়ানো। এতে আমরা মিত্রের চেয়ে বেশি শত্রু তৈরি করেছি।’
হাওয়াইয়ের সাবেক কংগ্রেস সদস্য ও যুক্তরাষ্ট্রের আর্মি ন্যাশনাল গার্ডের সাবেক সদস্য গ্যাবার্ড বলেন, এই নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল অর্থব্যয়, অগণিত প্রাণহানি এবং নতুন নিরাপত্তা হুমকির জন্ম হয়েছে। এমনকি আইএসআইএস-এর মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর উত্থানও ঘটেছে।
তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র যে যুদ্ধ শুরু করেছিল, সেটি এখন নতুনভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হয়েছিল, যা ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময়ে শেষ হয়।
তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের নীতি এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে। গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর, ইরানও নতুন পারমাণবিক কর্মসূচি শুরু করেছে। তবে ট্রাম্প এই নতুন নীতিতে অবিচল রয়েছেন এবং দ্বিতীয় মেয়াদে শুরু থেকেই তা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
এমএস/