দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস যদি যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে, তাহলে ইসরাইলকে নতুন করে গাজায় সামরিক অভিযান চালানোর অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, হামাস নিয়ে যা ঘটছে, তা খুব দ্রুতই ঠিক হয়ে যাবে।” হামাস যদি নিরস্ত্র হতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে কী হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমি বললেই ইসরায়েল আবার রাস্তায় ফিরে যাবে। ইসরায়েল চাইলে ওদের একেবারে গুঁড়িয়ে দিতে পারে।
তিনি আরও দাবি করেন, আমি-ই ওদের (ইসরায়েলকে) এখন পর্যন্ত থামিয়ে রেখেছি।
ট্রাম্প জানান, বর্তমানে জীবিত ২০ জন ইসরায়েলি বন্দির মুক্তিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একই সঙ্গে হামাসকে নিহতদের মরদেহ ফেরত দেওয়া ও অস্ত্র জমা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে, হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসাম ব্রিগেডস এক বিবৃতিতে জানায়, তারা চুক্তি অনুযায়ী সব জীবিত বন্দিকে হস্তান্তর করেছে এবং উদ্ধার করা সম্ভব এমন সব মরদেহও ফিরিয়ে দিয়েছে। তবে বাকি মরদেহ উদ্ধার করতে ‘বিশেষ সরঞ্জাম ও দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন’ বলেও জানায় সংগঠনটি।
এর আগে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায়। ওই চুক্তির আওতায় গাজায় যুদ্ধবিরতি, বন্দি বিনিময় এবং ধীরে ধীরে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।
চুক্তি কার্যকরের প্রথম ধাপে হামাস ২০ জন জীবিত ইসরাইলি জিম্মি ও ৮ জনের মরদেহ হস্তান্তর করে, বিনিময়ে প্রায় দুই হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পায়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
জে আই