দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজার যুদ্ধ থামাতে ২০ দফার নতুন শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি একে ‘সভ্যতার ইতিহাসে অন্যতম সেরা দিন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
পরিকল্পনায় আছে তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, হামাসের হাতে আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি, ইসরায়েলি কারাগারে থাকা ফিলিস্তিনিদের বিনিময়, ধাপে ধাপে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার তত্ত্বাবধানে গাজায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্পের আশাবাদ বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। গাজার জটিল সংঘাত এত সহজে মিটবে না। আগেও বহু শান্তি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে রাজনৈতিক জটিলতা ও আস্থার অভাবে। এবারও ঝুঁকি রয়েছে, বিশেষ করে হামাস ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সব জিম্মি মুক্তি দিতে রাজি না হলে পরিকল্পনাটি ভেস্তে যেতে পারে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ট্রাম্পের প্রস্তাবকে সমর্থন করেছেন। তবে তিনি নিজ দলের চরমপন্থী মিত্রদের চাপে কতটা এগোবেন তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, নেতানিয়াহু রাজনৈতিক টিকে থাকার জন্য যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করতে চাইতে পারেন।
অন্যদিকে হামাসের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত ইতিবাচক কোনো সাড়া মেলেনি। তারা ইসরায়েলের হামলা ও অবিশ্বাসের কথা তুলে পরিকল্পনার কার্যকারিতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।
সবচেয়ে বড় সমালোচনা হচ্ছে, এ পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনিদের সরাসরি মতামত বা অংশগ্রহণ তেমনভাবে নেই। গাজার ভবিষ্যত নিয়ন্ত্রণের জন্য আন্তর্জাতিক বোর্ড গঠনের প্রস্তাব এবং তাতে টনি ব্লেয়ারকে যুক্ত করার ভাবনাও অনেক ফিলিস্তিনি প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
ফলে, ট্রাম্পের নতুন শান্তি উদ্যোগ যতটা আশাবাদীভাবে ঘোষণা করা হয়েছে, বাস্তবে তা সফল হবে কি না—সে নিয়ে গভীর সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। সূত্র: সিএনএন
এমএস/