দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়ার বিরুদ্ধে চাপ বাড়াতে জি-সেভেন দেশের অর্থমন্ত্রীদের বৈঠকে নতুন নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের বিষয় আলোচনা হয়েছে। শুক্রবারের এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র মিত্র দেশগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে—রাশিয়ার তেল কিনছে এমন দেশগুলোর ওপর শুল্ক বসাতে।
কানাডার অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন বৈঠকটি পরিচালনা করেন। কানাডা বর্তমানে জি-সেভেনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, রাশিয়ার হিমায়িত সম্পদ ব্যবহার করে ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতে অর্থ জোগানোর আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। পাশাপাশি রাশিয়ার যুদ্ধকে সহায়তা করছে এমন দেশের ওপর বাণিজ্যিক ব্যবস্থা, বিশেষ করে শুল্ক আরোপ, বিবেচনা করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বৈঠকে বলেন, রাশিয়ার তেল কিনছে এমন দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ না করলে যুদ্ধ চালানোর অর্থনৈতিক উৎস বন্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে পদক্ষেপ নিলেই কেবল পুতিনের যুদ্ধযন্ত্রকে অর্থ থেকে বঞ্চিত করা যাবে।’
এর আগে এক মার্কিন ট্রেজারি মুখপাত্র জি-সেভেন ও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে আহ্বান জানান—চীন ও ভারতের পণ্যের ওপর কার্যকর শুল্ক আরোপ করতে, যাতে তারা রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করে।
ইতিমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক আরোপ করেছেন, ফলে মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০%। এর লক্ষ্য—নয়াদিল্লিকে সস্তায় রাশিয়ার তেল কেনা থেকে বিরত রাখা। তবে এ কারণে দুই দেশের বাণিজ্য আলোচনায় টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।
চীনের ক্ষেত্রে এখনো বাড়তি শুল্ক আরোপ করেননি ট্রাম্প। কারণ ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বর্তমানে এক ধরনের ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ চলছে। এদিকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট মাদ্রিদে চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী হে লিফেংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। আলোচনায় বাণিজ্য, যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের মালিকানা বদল ও মানি লন্ডারিংবিরোধী পদক্ষেপের মতো বিষয় থাকবে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি তার ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে। তিনি আরও জানান, ব্যাংক ও জ্বালানি খাতে নতুন নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হতে পারে, তবে এজন্য ইউরোপীয় দেশগুলোকেও একসঙ্গে পদক্ষেপ নিতে হবে।
ট্রাম্পের ভাষায়, ‘আমাদের এবার খুব কঠোরভাবে নামতে হবে।’
এমএস/