দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে ফিলিস্তিন সমর্থনে বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, শনিবারের এই কর্মসূচি গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর দেশটিতে হওয়া সবচেয়ে বড় ফিলিস্তিনপন্থি সমাবেশ।
‘মার্চ ফর হিউম্যানিটি’ নামের এই র্যালিতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন বলে জানায় সংগঠন ‘আওতেরোয়া ফর প্যালেস্টাইন’। তবে পুলিশ বলছে, সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ২০ হাজার মানুষ।
সংগঠনের মুখপাত্র আরামা রাটা জানান, গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর নিউজিল্যান্ডে এটাই সবচেয়ে বড় সমাবেশ। উল্লেখ্য, ওই সময় হামাসের সীমান্তপারের হামলায় প্রায় ১,২০০ ইসরায়েলি নিহত ও ২৫১ জন জিম্মি হওয়ার পর ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক আক্রমণ শুরু করে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলমান ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি খাদ্য সংকট ও অনাহারে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবারের সমাবেশে অংশ নেওয়া অনেকেই হাতে নিয়েছিলেন ফিলিস্তিনি পতাকা ও প্ল্যাকার্ড, যেখানে লেখা ছিল— ‘ডোন্ট নরমালাইজ জেনোসাইড’ এবং ‘স্ট্যান্ড উইথ প্যালেস্টাইন’।
আয়োজকেরা চেয়েছিলেন সিডনির হারবার ব্রিজে হওয়া সমাবেশের মতো অকল্যান্ডের একটি বড় সেতু বন্ধ করে বিক্ষোভ করতে। তবে প্রবল বাতাসের কারণে শুক্রবার তারা সেই পরিকল্পনা বাতিল করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, সমাবেশ শান্তিপূর্ণ ছিল এবং কোনো গ্রেপ্তার হয়নি।
আওতেরোয়া ফর প্যালেস্টাইন জানিয়েছে, তারা চায় নিউজিল্যান্ড সরকার ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করুক।
গত আগস্টে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাক্সন গাজায় ইসরায়েলের তৎকালীন পদক্ষেপকে ‘অত্যন্ত ভয়াবহ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। নিউজিল্যান্ড সরকার এখন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড জিউইশ কাউন্সিলের মুখপাত্র বেন কেপেস শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের প্রশংসা করলেও ইসরায়েলের ওপর নিষেধাজ্ঞার দাবির বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা শুধু ইসরায়েলকেই লক্ষ্যবস্তু করছে, হামলা ও জিম্মিদের দুর্দশাকে উপেক্ষা করছে।’
এমএস/