দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেপালে জেন জি প্রজন্মের নেতৃত্বে শুরু হওয়া বিক্ষোভ ক্রমেই ভয়াবহ আকার নিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ ও সরকারের দুর্নীতির প্রতিবাদে সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুতে হাজার হাজার ছাত্র-জনতা রাস্তায় নামে। পুলিশের গুলিতে অন্তত আটজন নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি সরকার ফেসবুক, ইউটিউব, এক্সসহ ২৬টি অনিবন্ধিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রাজধানীসহ দেশটির অন্যান্য শহরেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশ বিক্ষোভ দমনে রাবার বুলেট, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করেছে। কিছু বিক্ষোভকারী ব্যারিকেড ভেঙে সরকারের বিরুদ্ধেই স্লোগান দেয়। আন্দোলনকারীরা শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের বিরুদ্ধে নয়, দেশটির প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিরও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
কাঠমান্ডুর ২৪ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইউজান রাজভাণ্ডারি বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের প্রতিবাদে আমাদের আন্দোলনের সূচনা হলেও মূল লক্ষ্য হলো নেপালে দীর্ঘদিনের দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা।’
২০ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইক্ষামা তুমরোক বলেন, ‘আমরা সরকারের কর্তৃত্ববাদী মনোভাবের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছি। আমাদের প্রজন্মের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।’
সরকার রোববার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে সম্মান করা হবে এবং এ ধরনের স্বাধীনতার সুরক্ষার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।
এর আগে নেপাল সরকার টেলিগ্রাম নিষিদ্ধ করেছিল এবং টিকটক নিষিদ্ধ করলেও পরে আইন মেনে চলায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। বর্তমানে টিকটক, ভাইবার, উইটক, নিম্বাস ও পোপো লাইভ দেশটিতে সচল রয়েছে।
এমএস/