দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেপালে দুর্নীতি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধের প্রতিবাদে তরুণ প্রজন্মের বিক্ষোভ সহিংস আকার নিয়েছে। এর জেরে রাজধানী কাঠমান্ডুর বিভিন্ন এলাকায় কারফিউ জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) নেপালি দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কাঠমান্ডুর নিউ বানেশ্বর এলাকায় ‘জেন জি’ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর কারফিউ ঘোষণা করা হয়। জেলা প্রশাসক ছাবিলাল রিজাল স্থানীয় প্রশাসন আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত কারফিউর নির্দেশ দেন।
কারফিউর আওতায় নিউ বানেশ্বর চৌক থেকে এভারেস্ট হোটেল, বিজুলি বাজার, মিন ভবন, শান্তিনগর, টিঙ্কুনে চৌক, আইপ্লেক্স মল, রত্ন রাজ্য স্কুল, শঙ্খমুল ও শঙ্খমুল ব্রিজ পর্যন্ত এলাকা অন্তর্ভুক্ত। এসব এলাকায় চলাফেরা, জমায়েত, বিক্ষোভ ও অবরোধ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
সংঘর্ষের পর প্রেসিডেন্টের বাসভবন শীতল নিবাস, উপ-রাষ্ট্রপতির বাসভবন, সিংহ দরবার, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বালুওয়াটার এবং আশপাশের সংবেদনশীল এলাকা পর্যন্ত কারফিউয়ের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, অশান্তি ঠেকানো ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।
এর আগে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেললে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জলকামান ও টিয়ার গ্যাস ছোড়ে। পাল্টা বিক্ষোভকারীরা ডালপালা ও পানির বোতল নিক্ষেপ করে স্লোগান দিতে থাকে। এমনকি অনেকে সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণেও প্রবেশ করে।
মূলত সরকারি দুর্নীতি ও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ, ইউটিউব ও স্ন্যাপচ্যাটসহ ২৬টি অনিবন্ধিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই কয়েক হাজার তরুণ রাস্তায় নেমে আসেন।
এমএস/