দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ভেনেজুয়েলা থেকে আসা একটি মাদকবাহী নৌকায় হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছে, যাদের তিনি ‘নার্কো-টেররিস্ট” বলে উল্লেখ করেছেন। খবর বিবিসির।
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার কাছে এক মাদকবাহী নৌকাকে গুলি করে নামানো হয়েছে। নৌকাটিতে প্রচুর মাদক ছিল।”* পরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে তিনি লিখেছেন, ‘আজ সকালে আমার নির্দেশে মার্কিন বাহিনী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালায়। এতে ১১ জন নিহত হয়েছে। কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি। যারা যুক্তরাষ্ট্রে মাদক আনার চিন্তা করছে—এটা তাদের জন্য সতর্কবার্তা।’
তার পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিওও প্রকাশ করা হয়, যেখানে একটি দ্রুতগামী নৌকা বিস্ফোরণে আগুনে পুড়ে যেতে দেখা যায়।
ভেনেজুয়েলার তথ্যমন্ত্রী ফ্রেডি নানেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, ট্রাম্প প্রকাশিত ভিডিওটি কৃত্রিমভাবে তৈরি, যদিও তারা কোনো প্রমাণ দেয়নি।
প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন হুমকির কড়া জবাব দিয়ে বলেছেন, ‘আমেরিকা আক্রমণ করলে আমরা অস্ত্র হাতে প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করব। শত বছরের মধ্যে আমাদের মহাদেশে এটিই সবচেয়ে বড় হুমকি।’
ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোর বিরুদ্ধে চাপ বাড়িয়েছে। সম্প্রতি তার গ্রেপ্তারের তথ্য দিতে পারলে ৫ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলার কুখ্যাত ‘ট্রেন দে আরাগুয়া গ্যাং’ ও ‘কার্টেল অব দ্য সানস’-কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে। মার্কিন অভিযোগ, এই কার্টেলটি পরিচালনা করেন মাদুরো নিজে ও তার ঘনিষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা।
গত দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে নৌবাহিনীর উপস্থিতি জোরদার করেছে। সেখানে অতিরিক্ত যুদ্ধজাহাজ ও হাজারো মেরিন মোতায়েন করা হয়েছে।
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘এটাই শেষ নয়—আরও অভিযান চলবে।’
এমএস/