দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরায়েল জানিয়েছে, গাজায় আটক থাকা সব বন্দিকে মুক্তি দিতে হবে। এতে কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতায় হওয়া নতুন ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
বিবিসি জানিয়েছে, হামাস সোমবার (১৮ আগস্ট) প্রস্তাবে সম্মতি দিলেও ইসরায়েল বলছে, তারা কোনো আংশিক চুক্তিতে রাজি নয়। ইসরায়েলি মুখপাত্র ডেভিড মেনসার জানান, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।
ফিলিস্তিনি সূত্র জানায়, প্রস্তাব অনুযায়ী শুরুতে জীবিত ১০ জন এবং মৃত ১৮ জন বন্দি ফেরত দেওয়া হবে। তবে ধাপে ধাপে বাকি বন্দিদের মুক্তি ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা চলবে।
২২ মাসের যুদ্ধে ৫০ জন বন্দির মধ্যে মাত্র ২০ জন জীবিত আছে বলে বিশ্বাস করে ইসরায়েল। এ সপ্তাহেই ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা গাজা সিটিতে সামরিক অভিযান অনুমোদন করতে পারে।
হামাস জানিয়েছে, তারা কোনো সংশোধনী ছাড়াই প্রস্তাব মেনে নিয়েছে। কাতার বলছে, এ প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের আগের পরিকল্পনার প্রায় অনুরূপ। তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধের অবসান ও সব বন্দির মুক্তি একসঙ্গেই হতে হবে।
এদিকে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তার ডানপন্থি জোটের চাপের মুখে আছেন। তাদের দাবি, হামাসকে পুরোপুরি পরাজিত না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।
অন্যদিকে, বন্দিদের পরিবার ও ইসরায়েলের সাধারণ মানুষ দ্রুত চুক্তি করে যুদ্ধ থামানোর আহ্বান জানাচ্ছেন।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে গাজায় ইসরায়েলের অভিযানে এখন পর্যন্ত ৬২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ধ্বংস হয়ে গেছে ঘরবাড়ি, ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থা।
এমএস/আরএ