দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অবশেষে পানির নিচে সব কার্যকলাপ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন অ্যাডভেঞ্চার সংস্থা ওশানগেট। বৃহস্পতিবার তারা জানিয়েছে, সব রকমের অনুসন্ধান এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমও অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করছে তারা। এই বিষয়টি তাদের ওয়েবসাইটেও লিখে দিয়েছে সংস্থাটি। জানিয়েছে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে আর কাউকে নিয়ে যাবে না তারা। এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে সিএনএন।
গত ১৮ জুন কানাডার নিউ সাউথহ্যাম্পটনের সেন্ট জন্স থেকে পাঁচ অভিযাত্রীকে নিয়ে আটলান্টিক মহাসাগরের নিচে ডুব দিয়েছিল টাইটান। সাগরের অতল গভীরে পড়ে থাকা টাইটানিক জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে ডুবোযানটিতে চড়েছিলেন তারা।
পাঁচ অভিযাত্রীর মধ্যে ছিলেন ওশেনগেটের সিইও স্টকটন রাশ, যানটির পাইলট ফরাসি সাবমেরিন বিশেষজ্ঞ পল হেনরি নারগেলট, ব্রিটিশ-পাকিস্তানি ধনকুবের শাহজাদা দাউদ ও তার ছেলে সুলেমান দাউদ এবং ব্রিটিশ ধনকুবের হামিস হার্ডিং।
এদিকে টাইটান ডুবোযানটি সমুদ্রের নিচে যাওয়ার ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট পর— উপরে থাকা জাহাজের সঙ্গে এটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর শুরু হয় বিশাল উদ্ধার অভিযান। যা টানা চারদিন চলেছিল।
গত সপ্তাহে বিশেষজ্ঞরা সাগরের নিচ থেকে টাইটানের ধ্বংসাবশেষ তুলে আনেন। সেগুলো টাইটান জাহাজের সামনের দিকের ১ হাজার ৬০০ মিটার দূরে পড়ে ছিল।
উদ্ধারকৃত ধ্বংসাবশেষগুলো নিয়ে যাওয়া হয় কানাডার সেন্ট জনস নিউফাউন্ডল্যান্ডে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছিলেন, ডুবেযানের ভেতর মানুষের দেহাবশেষও পাওয়া গেছে বলে ধারণা করছেন তারা।
ভয়ানক এ সমুদ্র যাত্রায় টাইটানের যাত্রীদের প্রত্যেককে ২ লাখ ৫০ হাজার ডলার খরচ করতে হয়েছিল। যা বাংলাদেশি টাকায় আড়াই কোটি টাকারও বেশি।