দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

অধিকৃত ক্রিমিয়ান উপদ্বীপে রাতারাতি আক্রমণে দুটি বড় রাশিয়ান অবতরণ জাহাজ এবং সেইসাথে কৃষ্ণ সাগরে রাশিয়ান নৌবাহিনীর দ্বারা ব্যবহৃত অন্যান্য অবকাঠামোতে আঘাত করার দাবী করেছে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রোববার (২৪ মার্চ) কিয়েভ সেনাবাহিনী জানায়, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা বাহিনী রাশিয়ার আজভ এবং ইয়ামাল নামে দুটি অবতরণ জাহাজ, একটি যোগাযোগ কেন্দ্র এবং অস্থায়ীভাবে দখল করা ক্রিমিয়াতে রাশিয়ান ব্ল্যাক সি ফ্লিটের বেশ কয়েকটি অবকাঠামোতে সফলভাবে আঘাত করেছে।
কীভাবে রাশিয়ার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে বিবৃতিতে তা বলা হয়নি।
"সাম্প্রতিক সময়ে এটি ছিল সবচেয়ে বড় হামলা," সেভাস্তোপলের রুশ নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ একটি টেলিগ্রাম পোস্টে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ৬৫ বছর বয়সী একজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন এবং যাত্রীবাহী নৌকা ও বাসসহ পরিবহন অবকাঠামো আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাঁচটি নৌকার জানালা ভেঙে গেছে।
সেইসঙ্গে বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী সেভাস্তিপুলের ক্রিমিয়া বন্দরে প্রায় ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।
এদিকে, নিজেদের এ সাফল্যকে উদযাপন করে বিমান বাহিনী কমান্ডার মিকোলা ওলেসচুক সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘আকাশ ও সাগরের রং এক হয়ে গেছে। আমি বিমান ও নৌবাহিনীকে ধন্যবাদ জানাই এ সফল যৌথ হামলার জন্য’।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা ভিডিওতে শহরে একটি বড় বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। সেখানে বাতাসে আগুনের গোলা এবং কালো ধোঁয়া দেখা গেছে।
কিয়েভ দাবি করেছে, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণ করার পর থেকে রাশিয়ার ব্ল্যাক সি ফ্লিটের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস করেছে। সাধারণত ওই এলাকায় বিস্ফোরকভর্তি সমুদ্রভিত্তিক ড্রোন ব্যবহার করে রাতে হামলা করা হয়।
এম