দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর দেশটি গাজাকে ‘গুড়িয়ে’ দেওয়ার লক্ষ্যে হামলা চালাচ্ছে। তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তা, মার্কিন রাজনীতিবিদ ও মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, গাজায় শত শত কোটি ডলারের সহায়তা দিচ্ছে কাতার। এরপরই কাতারের সমালোচনায় মেতে উঠেছে তারা। খবর সিএনএন’র।
তবে সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হচ্ছে, গাজায় যে অর্থ যাচ্ছে, এর পুরোটাই জানেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরায়েলের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সংগঠন শোমরিম ধারাবাহিক সাক্ষাৎকারে এমন চাঞ্চল্যকর সত্য বের করে এনেছে। জানা গেছে, নিজের সরকারের ভেতর থেকে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও হামাসের কাছে সেই অর্থ যাওয়া ঠেকাননি নেতানিয়াহু।
কাতার জানিয়েছে, তারা এ ধরনের সহায়তা দেওয়া বন্ধ করবে না। কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ বিল আব্দুলআজিজ আল-খুলাইফি সিএনএন’র বেকি অ্যান্ডারসনকে সোমবার বলেন, তার সরকার গাজা উপত্যকাকে সহায়তা করতে অর্থ দিয়ে যাবে। বছরের পর বছর তারা এমনটা করে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।
আল-খুলাইফি বলেন, আমরা আমাদের ম্যান্ডেট পরিবর্তন করব না। আমাদের ম্যান্ডেট হচ্ছে ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই-বোনদের প্রতি সহায়তা অব্যাহত রাখা। আমরা পদ্ধতিগতভাবে এটা করে যাবে, যা আমরা আগেও করতাম।
ইসরায়েলি সূত্রগুলো জানিয়েছে, দেশটির ক্ষমতাসীন সরকার মানবিক কারণে গাজায় ওই অর্থ যেতে দিয়েছে। তবে নেতানিয়াহু হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার পর গ্রুপটির বিরুদ্ধে জোরালোভাবে পদক্ষেপ নিয়েছে।
সিএনএন জানিয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে গাজায় মাসিক আর্থিক সহায়তা করে যাচ্ছে কাতার। ইসরায়েলের সঙ্গে কয়েক মাসের আলোচনার পর ইসরায়েলি অঞ্চল দিয়েই সুটকেস ভর্তি প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডলার গাজায় পৌঁছে দেন কাতারি কর্মকর্তারা।
এইউ