দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে বদলে যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক সমীকরণ। দুটি সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট সম্পর্ক স্থাপনের প্রক্রিয়া আপাতত স্থগিত করেছে সৌদি আরব। আর এজন্য ইসরায়েল-হামাস সংঘাতকে কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। হঠাৎ করে ইসরায়েল-হামাসের সংঘাতের কারণে নিজেদের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে নতুনভাবে ভাবার ইঙ্গিত দিয়েছে রিয়াদ। খবর আল জাজিরা’র।
এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি নাটকীয় পরিবর্তনেরও সূচনা করেছে। ইরানের সঙ্গে যোগাযোগের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। ইসরায়েল-হামাস সংঘাত শুরুর পর সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে প্রথম ফোনকল করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি। এই সংঘাত যাতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে না পড়ে সেটা প্রতিরোধে চেষ্টা চালাচ্ছে রিয়াদ।
দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের এই আলোচনা পিছিয়ে দেবে সৌদি আরব। এই সম্পর্ক স্থাপনের পেছনে সৌদির বড় পুরস্কারপ্রাপ্তি হবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি নিশ্চিত করা। কিন্তু ইরান সমর্থিত হামাস গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালানোর পর বদলে যায় সব সমীকরণ। ইসরায়েলি ও সৌদি কর্মকর্তারা বলছেন, তারা সুস্থিরভাবে আগাতে চাইছেন, কেননা এই চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যকে আমূলে বদলে দিতে পারে।
ইসলাম ধর্মের জন্মস্থান সৌদি আরব। এখানেই মুসলিমদের পবিত্রতম দুটি স্থানেরও অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে সৌদি আরব এতটাই মরিয়া ছিল যে, সৌদির ভাবনা ছিল, ইসরায়েল যদি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ছাড়ও না দেয়, তবুও তারা তেল আবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবে। কিন্তু সর্বশেষ এই সংঘাত প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছে, রিয়াদের আশঙ্কা এখন যদি তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে তাহলে তা আরবদের ক্ষুদ্ধ করে তুলবে।
এইউ