দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাত বছর বয়স থেকে বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ওই কিশোরী মেডিকেল পরীক্ষা করাতে গিয়ে অযাচিত এক প্রশ্নের মুখে পড়ে। এ ঘটনা ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ুর চেন্নাইয়ের এগমোরে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া’র।
ওই নার্সের নাম কোটেশ্বরী। তিনি ইনস্টিটিউট অব সোশ্যাল অবসটেট্রিকস অ্যান্ড কাস্টুরবা গান্ধী হাসপিটাল ফর উইমেন অ্যান্ড চিল্ড্রেনে কাজ করেন। ভুক্তভোগী কিশোরীকে কোটেশ্বরী বলেন, ওই মুহূর্ত কী তুমি উপভোগ করেছো? এমনকি তার বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিতেও ভয় দেখান অভিযুক্ত নার্স।
এ ঘটনায় রাজ্যের মানবাধিকার কমিশন (এসএইচআরসি) তদন্ত শুরু করেছে। আদালতের নিয়োগ পাওয়া একজন স্বেচ্ছাসেবী কন্যাদেবী এসএইচআরসিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই নার্সের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
মায়ের জ্ঞাতসারেই সাত বছর বয়স থেকে বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হচ্ছিল ওই কিশোরী। বাসায় তার এক ভাইও রয়েছে। ২০২২ সালে ওই কিশোরীর মা মারা যায়। তখন ওই কিশোরী তার ভাইকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। তখন বোনকে দাদা-দাদির বাড়ি ভেল্লোরে পাঠায় তার ভাই। তার সহায়তায়ই ওই কিশোরী থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
তবে একপর্যায়ে মামলা লড়তে অস্বীকৃতি জানায় ওই কিশোরী। সে অভিযোগ করে, পুরো ঘটনার জন্য উল্টো তাকেই দোষী প্রমাণ করার চেষ্টা করছে সবাই। এরপরই বিচারক কন্যাদেবীকে নিয়োগ দেন। এখন ওই নার্সের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে এবং ভুক্তভোগী কিশোরীকে ১০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন কন্যাদেবী।
এইউ