দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচল প্রদেশে চীনা সেনাদের সঙ্গে একাধিক অমীমাংসিত মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা চলছে বলে জানিয়েছেন চীন সীমান্তে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারতের আধাসামরিক বাহিনী ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশের (আইটিবিপি) মহাপরিচালক শত্রুজিৎ কাপুর।
গত সপ্তাহের শেষ দিকে দেওয়া তার এ বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন প্রায় চার মাস আগে প্রত্যন্ত এই অঞ্চলের স্থানীয় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা আল জাজিরাকে জানিয়েছিলেন, চীনা সেনারা ক্রমেই ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করছে এবং ভারতীয় সেনাদের টহল পয়েন্টে যেতে বাধা দিচ্ছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
গত মাসে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে সাত বছর পর প্রথমবারের মতো নয়াদিল্লি সফর করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলানোর এই উদ্যোগে আংশিক ভূমিকা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধ, যা পারমাণবিক অস্ত্রধারী দুই প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও ভারতকে কাছাকাছি এনেছে।
তবে চীনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের অভিযোগ দেখিয়ে দিচ্ছে, নয়াদিল্লিতে দুই নেতার উষ্ণ করমর্দন সত্ত্বেও প্রায় সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তে উত্তেজনা দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
এ পরিস্থিতি মোদির জন্য বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে। জাতীয় নিরাপত্তায় কঠোর অবস্থানের ভাবমূর্তি গড়ে তুললেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তাকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে।
আইটিবিপি প্রধান কাপুরের ভাষ্য অনুযায়ী, অরুণাচল প্রদেশে চীনা সেনাদের সঙ্গে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা এখনো চলছে। ২০২০ সালে লাদাখের পার্বত্য এলাকায় দুই দেশের সেনাদের সংঘর্ষে অন্তত ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার ছয় বছর পর নতুন করে এসব ঘটনা সামনে এল।
ওই সংঘর্ষের পর স্যাটেলাইট চিত্র এবং ভারতের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, আগে বিরোধপূর্ণ থাকা কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ কার্যত চীনের হাতে চলে গেছে। তবে মোদি সরকার কোনো ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেনি।
কাপুরের বক্তব্যের পাঁচ দিন পরও সীমান্তে চলমান উত্তেজনার প্রকৃতি নিয়ে স্পষ্ট কোনো বিবৃতি দেয়নি ভারত সরকার। এর পরিবর্তে চীনের সমালোচনায় আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছে নয়াদিল্লি।
আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় আইটিবিপি প্রধান কাপুর জানান, চীনের সঙ্গে সীমান্তে চলমান মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনায় কমান্ডোরা সক্রিয় রয়েছেন।
অরুণাচল প্রদেশের দুর্গম আপার সুবানসিরি অঞ্চলে এসব ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে। ১৯৫৯ সালের আগস্টে স্বাধীন ভারতের সঙ্গে চীনের প্রথম সংঘর্ষও ঘটেছিল এই অঞ্চলে। ওই ঘটনায় অন্তত দুই ভারতীয় সেনা নিহত হন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু সংসদে দেওয়া বক্তব্যে অঞ্চলটির দুর্গমতার কথা তুলে ধরেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, চীনা হামলার শিকার সীমান্তচৌকিতে নিকটতম সড়কপ্রান্ত থেকে পৌঁছাতে প্রায় তিন সপ্তাহ হাঁটতে হতো।
ভারত ও চীনের দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধের শিকড় ব্রিটিশদের নির্ধারণ করা ম্যাকমোহন লাইনে। ১৯১৪ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত ও তিব্বত সিমলা কনভেনশনে স্বাক্ষর করে সীমান্ত নির্ধারণ করেছিল। সে সময় তিব্বত চীনের নিয়ন্ত্রণে ছিল না।
১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার পর ভারত ম্যাকমোহন লাইনকে চীনের সঙ্গে সীমান্ত হিসেবে বিবেচনা করে আসছে। তবে ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে আসা চীন এই সীমারেখা প্রত্যাখ্যান করে। বেইজিংয়ের যুক্তি, স্বাধীনভাবে চুক্তি করার মতো কর্তৃত্ব তিব্বতের ছিল না।
চীন পুরো অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে এবং অঞ্চলটিকে ‘দক্ষিণ তিব্বত’ বা ‘জাংনান’ নামে অভিহিত করে। অন্যদিকে, ভারত ও পাকিস্তানের দাবিকৃত বিরোধপূর্ণ কাশ্মীর অঞ্চলের আকসাই চিনের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে চীনের হাতে।
সীমান্ত নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ১৯৯৩ সালে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বা এলএসি বরাবর শান্তি বজায় রাখতে চুক্তি করে ভারত ও চীন। ১৯৬২ সালের যুদ্ধের পর থেকে কার্যত এই রেখাই দুই দেশের সীমান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে এর সুনির্দিষ্ট অবস্থান নিয়ে দুই দেশের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
পরবর্তী বছরগুলোতেও এসব মতপার্থক্য দূর হয়নি। ফলে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দুই প্রতিবেশীর সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্ত এখনো উত্তেজনার অন্যতম প্রধান উৎস।
২০২০ সালের জুনে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনাদের সংঘর্ষে বিরোধ আবারও প্রাণঘাতী রূপ নেয়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে এলএসি অতিক্রমের অভিযোগ তোলে। ওই সংঘর্ষে অন্তত ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হন। পরে চীনও তাদের চার সেনার মৃত্যুর কথা স্বীকার করে।
ব্রাসেলসভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক প্রবীণ ডোন্থি বলেন, দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলার প্রক্রিয়ার মধ্যেও সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত থাকা একটি ধারাবাহিক প্রবণতার অংশ বলে মনে হচ্ছে। তার ধারণা, এটি বেইজিংয়ের চাপ প্রয়োগের কৌশল হতে পারে।
সীমান্ত সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত না হওয়ায় মাঝেমধ্যে এ ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হওয়া অনিবার্য বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার সতর্কতা, এসব পরিস্থিতির কোনো কোনোটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
২০২০ সালের সংঘর্ষ মোদিকে দেশের অভ্যন্তরেও চাপে ফেলে দিয়েছিল। চীনের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে বিরোধী দলগুলো প্রশ্ন তোলে। সংসদীয় তদারকিতে বিধিনিষেধ, চীনা সেনাদের সমাবেশের বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আগে থেকে জানতে পেরেছিল কি না এবং সামরিক অভিযানের তথ্য সীমিতভাবে প্রকাশের বিষয়েও সমালোচনা হয়।
সরকারের বক্তব্যের সঙ্গে মোদির নিজের মন্তব্যের অসংগতিও সংকটের ব্যাপ্তি কমিয়ে দেখানোর বা আড়াল করার চেষ্টার অভিযোগ তৈরি করে।
গালওয়ান সংঘর্ষের পর ২০২০ সালের ১৭ জুন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।
ওই কথোপকথনের পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, চীনা পক্ষ এলএসির ভারতীয় অংশে গালওয়ান উপত্যকায় একটি স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করেছিল। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনা বিরোধের সূত্রপাত ঘটায় এবং চীনা পক্ষের পূর্বপরিকল্পিত পদক্ষেপই সংঘর্ষ ও প্রাণহানির জন্য সরাসরি দায়ী ছিল। স্থিতাবস্থা পরিবর্তন না করার বিষয়ে দুই দেশের চুক্তির লঙ্ঘনও ছিল এটি।
কিন্তু এর দুই দিন পর মোদি তৎকালীন টুইটার, বর্তমানে এক্সে, বলেন, “কেউই আমাদের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে পারেনি, আর এখনো কেউ আমাদের ভূখণ্ডে নেই।”
তার এই বক্তব্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মনে করেন বিরোধী দল ও কৌশলগত বিশ্লেষকেরা। চীনা সেনারা যদি এলএসসি অতিক্রম না করে থাকে, তাহলে ভারতীয় সেনাদের তাদের সঙ্গে লড়াই করতে হলো কেন—এমন প্রশ্নও ওঠে।
সরকার কখনোই এসব প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ জবাব দেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় শুধু ব্যাখ্যা দিয়েছিল, সংঘর্ষের পর ভারতীয় ভূখণ্ডে আর কোনো চীনা সেনা অবস্থান করছিল না—মোদি সেটিই বোঝাতে চেয়েছেন।
লাদাখের সংঘর্ষের ছয় বছর পর চীনের অনুপ্রবেশের অভিযোগ আবারও মোদির কঠোর নিরাপত্তা অবস্থানের ভাবমূর্তিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। চলতি বছরের জুলাইয়ে তরুণদের নেতৃত্বে বিক্ষোভের জেরে দেশটির শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ করতে বাধ্য হওয়ায় এমনিতেই চাপের মুখে রয়েছে সরকার।
আইটিবিপি প্রধান কাপুর তার বক্তব্যে ২০২০ সালের সংঘর্ষের কথাও স্মরণ করেন। লাদাখের মতো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনীর সদস্যদের আরও দক্ষ করে তুলতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর কথা জানান তিনি।
চলতি সপ্তাহে অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে কাপুরের। তিনি সতর্ক করে বলেন, সীমান্তে চীনের সামরিক সক্ষমতা বেড়েছে। ফলে প্রচলিত পদ্ধতিতে সরাসরি সংঘাতে জড়ালে ভারতীয় বাহিনী সমস্যায় পড়তে পারে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের ডোন্থির মতে, মোদি সরকার জাতীয় নিরাপত্তায় ব্যর্থতার বিষয়ে শূন্য সহনশীলতার ভাবমূর্তি তুলে ধরে। তবে চীনের সঙ্গে শক্তির ব্যবধান অনেক বেশি হওয়ায় ভারতের জন্য বিব্রতকর হতে পারে—এমন ঘটনাগুলো সরকার প্রায়ই ছোট করে দেখায়।
অরুণাচল প্রদেশে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা বসিরাম সিরাম দাবি করেছেন, প্রত্যন্ত আপার সুবানসিরি অঞ্চলে চীনা সেনারা ভারতীয় ভূখণ্ডের প্রায় ৫০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে।
চীনা অনুপ্রবেশের খবর সামনে আসার পর আগস্টে সিরামের নেতৃত্বে কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধিদল সীমান্তবর্তী এলাকা পরিদর্শন করে। সিরামের দাবি, ভারতীয় ভূখণ্ডের ওই এলাকায় চীনা সেনারা অবস্থান করছে।
তিনি বলেন, “চীনা সেনাদের দেখা যায়। তারা পাহাড়ের চূড়ায় রয়েছে, আর আমরা নিচে।”
আইটিবিপি প্রধানের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, চীনা বাহিনী প্রচলিত টহলপদ্ধতি থেকে সরে এলে ভারত-চীন সীমান্ত এলাকায় মাঝেমধ্যে পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। তবে চলমান মুখোমুখি অবস্থানের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক বি আর দীপকের মতে, চীনা অনুপ্রবেশের অভিযোগ মোদির বিশ্বাসযোগ্যতা ও জবাবদিহির জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
২০১২ সাল থেকে ভারত ও চীন সীমান্ত বিরোধ বড় সংঘাতে রূপ নেওয়া ঠেকাতে একটি আনুষ্ঠানিক যোগাযোগব্যবস্থার ওপর নির্ভর করছে। তবে হিমালয় অঞ্চলে দুই দেশের সীমান্ত ঠিক কোথায়, সেই মৌলিক বিরোধের সমাধান হয়নি।
ভারত-চীন সীমান্তবিষয়ক পরামর্শ ও সমন্বয়ের জন্য গঠিত ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কো-অর্ডিনেশন (ডব্লিউএমসিসি) নামের এ ব্যবস্থায় দুই দেশের কর্মকর্তারা যুক্ত রয়েছেন। সামরিক পর্যায়ের যোগাযোগব্যবস্থার পাশাপাশি এটি কাজ করে।
গত ৬ আগস্ট ডব্লিউএমসিসির ৩৬তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অরুণাচল প্রদেশে চীনা অনুপ্রবেশের খবর সামনে আসার প্রায় এক মাস পর এ বৈঠক হয়। সেপ্টেম্বরে অরুণাচল প্রদেশে প্রথমবারের মতো কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়।
অধ্যাপক দীপক বলেন, সীমান্তে মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা অব্যাহত থাকা প্রমাণ করে, কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো উত্তেজনা পুরোপুরি দূর করতে পারেনি। সামরিক বা স্থানীয় পর্যায়ের বৈঠক সাময়িক স্বস্তি দিতে এবং পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে পারে, কিন্তু কয়েক দশকের ঐতিহাসিক, রাজনৈতিক ও কৌশলগত মতপার্থক্য থেকে তৈরি সীমান্ত বিরোধের স্থায়ী সমাধান দিতে পারে না।
তার মতে, দুই দেশের রাজধানী থেকে স্পষ্ট রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও সমন্বিত পদক্ষেপ না এলে সীমান্তে যেকোনো সমঝোতা ভঙ্গুরই থেকে যাবে। লাদাখের পর অরুণাচল প্রদেশের আপার সুবানসিরির ঘটনাও তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা
এমএস/