দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শত্রুর সঙ্গে সংঘাত কয়েক বছর ধরে চললেও একই মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র অভিযান চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা ইরানের রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর কমান্ডারের একজন উপদেষ্টা।
আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বেলালি ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন।
বেলালি বলেন, বর্তমানে প্রতিটি অভিযানে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী শক্তি ও দৃঢ়তার সঙ্গে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। এর মাধ্যমে শত্রুকে ‘শাস্তি’ দেওয়া এবং হামলা চালিয়ে কোনো জবাব না পাওয়ার সময় শেষ হয়েছে, এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
স্যাক্রেড ডিফেন্স সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জামের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে প্রদর্শিত সব পণ্যই দেশীয় এবং ইরানে তৈরি।
তার দাবি, বিদ্যমান বৈশ্বিক জ্ঞান ও প্রযুক্তি এমনভাবে কাজে লাগানো হয়েছে যে ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ দেশটির সামরিক সক্ষমতা বাড়ানো এবং ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি থামাতে পারেনি।
ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন বেলালি। তিনি বলেন, ওই যুদ্ধে ইরান মোট ৮৮টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছিল। সেগুলো ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং পুরো খরচ বহন করার সক্ষমতা ইরানের ছিল না। ফলে যুদ্ধের শেষ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যেতে ক্ষেপণাস্ত্র একেকটি করে এবং সীমিত সংখ্যায় নিক্ষেপ করতে হতো।
তবে বর্তমানে সেই পরিস্থিতি আর নেই বলে দাবি করেন তিনি।
বেলালি বলেন, এখন প্রতিটি অভিযানে যতটা প্রয়োজন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ততটাই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারে। তার ভাষায়, এতে শত্রু বুঝতে পারবে যে ‘হামলা করে পালিয়ে যাওয়ার’ সময় শেষ।
সাম্প্রতিক একটি অভিযানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ওই অভিযানে শত্রুপক্ষ সীমিতসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র বা গোলা নিক্ষেপ করেছিল। জবাবে ইরান তার কয়েক গুণ বেশি অস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
/অ