দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের পর্যটন এলাকা প্লাকায় বিস্ফোরণের পর দোতলা একটি আবাসিক ভবন ধসে ছয়জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন মার্কিন পর্যটক ছিলেন।
শুক্রবার এ বিস্ফোরণের পর শনিবার ধ্বংসস্তূপ থেকে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করে উদ্ধারকারী দল।
নিহত চার মার্কিন নাগরিক ছিলেন দুই দম্পতি। শুক্রবার বেলা ৩টায় এথেন্স বিমানবন্দর থেকে তাদের দেশে ফেরার ফ্লাইট ধরার কথা ছিল। কিন্তু তারা বিমানবন্দরে পৌঁছাননি বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে। পরে তাদের মরদেহ ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকর্মীরা ভারী সরঞ্জাম ও লাল হেলমেট পরে উদ্ধারকারী কুকুর, ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সরের সহায়তায় ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালান। ফায়ার সার্ভিসের মুখপাত্র ভাসিলিস ভাথ্রাকোগিয়ানি টেলিভিশনে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানান।
নিহত অন্য দুজন ছিলেন ওই ভবনের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বসবাসকারী এক বয়স্ক দম্পতি। ভবনের ধ্বংসাবশেষ সরানোর সময় তাদেরও মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে ফায়ার সার্ভিসের অপরাধ তদন্ত ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে। বিস্ফোরণের আগে এলাকায় গ্যাসের গন্ধ পাওয়ার খবর পাওয়া যায়। এথেন্সের মেয়র জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সঙ্গে গ্যাস অবকাঠামোর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ এখনো তদন্তাধীন।
বিস্ফোরণে ভবনটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। আশপাশের বাড়ি, দোকান ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ ও ভাঙা কাচ প্রায় তিন ব্লক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। ভবনটি পরিণত হয় বেঁকে যাওয়া ধাতব কাঠামো, ভাঙা টাইলস ও কংক্রিটের স্তূপে। এর মধ্যে ছড়িয়ে ছিল বিভিন্ন গৃহস্থালি সামগ্রী ও পোশাক।
এথেন্সের ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা প্লাকার কাছে অ্যাক্রোপলিস ও জিউসের মন্দিরসহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান রয়েছে। বিস্ফোরণের পর শনিবারও ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুলেন্স রাখা হয়। উদ্ধার করা মরদেহগুলো শনাক্তের জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এথেন্সে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত কিম্বার্লি গিলফয়েল চার মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।
/অ