দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ লাইনের সোর্স ব্রেকার বিস্ফোরণে বিকল হয়ে পড়েছে। এতে চৌমুহনী থেকে মাইজদী পর্যন্ত ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বন্ধ হয়ে জেলা শহর মাইজদী ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর ব্রেকারে আগুন ধরে যায়। এতে মাইজদী উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) নোয়াখালী কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি সোর্স ব্রেকারে আকস্মিক বিস্ফোরণের পর আগুন ধরে যায়। ব্রেকারটি মেইন ব্রেকার হওয়ায় এর মাধ্যমে মাইজদী উপকেন্দ্রে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো।
ব্রেকারটি বিকল হয়ে পড়ায় বিকল্প সোর্সের মাধ্যমে রিং সার্কিট ব্যবহার করে বর্তমানে প্রায় ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে মাইজদী শহর ও আশপাশের এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ২২ থেকে ২৫ মেগাওয়াট। ফলে চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রেকার পুনঃস্থাপন না হওয়া পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এক ঘণ্টা শহরের এক অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে অন্য অংশে তা বন্ধ থাকবে। পরের ঘণ্টায় সরবরাহের এলাকা পরিবর্তন করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা লোকমান হোসেন বলেন, শুক্রবার রাতে তার এলাকায় বিদ্যুৎ চলে যায়। পরে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে বিদ্যুৎ এলেও এক ঘণ্টার মধ্যে আবার চলে যায়। এভাবে সারা রাত ও শনিবার সকাল পর্যন্ত কয়েক দফা বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করেছে। বিদ্যুৎ সংকটে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেননি বলেও জানান তিনি।
পিডিবি নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাবিবুল বাহার বলেন, চৌমুহনী গ্রিড উপকেন্দ্রের ৩৩ কেভি সোর্স ব্রেকারের পোল নষ্ট হয়ে এটি বিকল হয়ে পড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থায় জেলা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ চলছে। বৃষ্টির কারণে কাজে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।
তিনি বলেন, শনিবার বিকেলের দিকে নতুন ব্রেকার স্থাপনের কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এরপর বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
যে আই