দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) উন্নয়ন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বৈশ্বিকভাবে এর গতি কমানোর আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এআই উন্নয়নে যে দেশ এগিয়ে থাকবে, তারাই জয়ী হবে—এমন অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, শিল্পবিপ্লবের চেয়েও বড় হয়ে উঠতে পারে এআই। এমনকি কেউ কেউ এটিকে শিল্পবিপ্লব বা ইন্টারনেটের চেয়েও বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, শিল্পবিপ্লবের চেয়েও বড় হতে পারে এমন কোনো প্রযুক্তির বিকাশ তিনি বাধাগ্রস্ত করতে চান না। এআই নিয়ে বৈশ্বিকভাবে উন্নয়নের গতি কমিয়ে দেওয়ার যে আহ্বান জানানো হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র তা পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করে বলেও জানান তিনি।
বক্তব্যে এআইকে সুপার ইন্টেলিজেন্স নামে অভিহিত করার পরিকল্পনার কথাও জানান ট্রাম্প। তার মতে, নামটি শুনতে ভালো এবং এআইয়ের সম্ভাব্য সক্ষমতা বোঝাতে এটি আরও যথাযথ।
তবে সুপার ইন্টেলিজেন্স শব্দটি এআই খাতে আগে থেকেই ব্যবহৃত একটি ধারণা। সাধারণভাবে এমন একটি সম্ভাব্য পর্যায়কে বোঝাতে শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতা প্রায় সব ক্ষেত্রেই মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে ছাড়িয়ে যাবে।
ট্রাম্প বলেন, নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি প্রযুক্তিই নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করে এবং সুপার ইন্টেলিজেন্সও এর ব্যতিক্রম নয়।
এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে চলতি সপ্তাহে এআই নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের আয়োজন করবে ট্রাম্প প্রশাসন।
এমন সময়ে ট্রাম্প এআইয়ের দ্রুত বিকাশের পক্ষে অবস্থান জানালেন, যখন আইনপ্রণেতা, সাবেক এআই কর্মী এবং শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের অনেকে এ খাতের দ্রুত সম্প্রসারণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। অ্যানথ্রপিক ও ওপেনএআইয়ের মতো কয়েকটি শীর্ষ এআই প্রতিষ্ঠানও প্রযুক্তিটির উন্নয়নের গতি নিয়ন্ত্রণে জাতীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা বিধিমালা প্রণয়নের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র: সিএনএন
এমএস/