দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রুনা লায়লা এই উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীত শিল্পী। বহু দেশে তিনি গান করেছেন এবং পেয়েছেন বিপুল ভালোবাসা। বাংলাদেশের বাংলা গানকে তিনি বিশ্বের নানান দেশে পৌঁছে দিয়েছেন এবং সম্মানিত হয়েছেন। অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন নিজেকে। স্বাধীনতা পুরস্কারসহ অনেক পুরস্কার পেয়েছেন।
আজ সোমবার (১৭ নভেম্বর) রুনা লায়লার জন্মদিন।
ইতোমধ্যে সংগীত জীবনের ৬০ বছর পূর্ণ করেছেন রুনা লায়লা (৭৩)। ১৮টি ভাষায় গান করেছেন। সামনের দিনগুলোতেও গান নিয়েই বাঁচতে চান এই নন্দিত শিল্পী। গানকে ঘিরেই তার সব স্বপ্ন।
জন্মদিনসহ অনেক বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন তিনি।
জন্মদিনে বিশেষ পরিকল্পনা কী? এমন প্রশ্নে রুনা লায়লা বলেন, তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই। পারিবারিকভাবেই দিনটি উদযাপন করা হবে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাব। এর বেশি কিছু নয়। ঘরোয়াভাবেই কাটবে দিনটি।
জন্মদিনে অসংখ্য মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হোন। কেমন লাগে? এমন প্রশ্নে রুনা লায়লা বলেন, খুব ভালো লাগে। আমার জীবনে অনেক মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। এখনো পাচ্ছি। এটা তো ভালো লাগারই বিষয়। মানুষের ভালোবাসা পাওয়া অনেক বড় বিষয়। ভাগ্যের ব্যাপার এটা। এজন্য ভাগ্যবান মনে করি। মানুষের ভালোবাসা পেলে আরও ভালো ভালো গান করতে উৎসাহী হই। আনন্দ পাই।
সারাবছরই কি নতুন নতুন গান নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, এমন প্রশ্নে তিনি গানই জীবনের সবকিছু। গান দিয়েই জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়ে দিলাম। বাপ্পা মজুমদারের সুরে একটি গান করেছি। সামনে আসবে। কনসার্ট করছি। কম্পোজিশন করছি। নতুন নতুন গান নিয়ে ভাবছি। এই তো।
গানে গানে ৬০ বছর পার করেছেন রুনা লায়লা। এটাকে আল্লাহর রহমত উল্লেখ করে বলেন, ৬০ বছর ধরে গান করে আসছি। গানকে ভালোবেসে, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে গানের সঙ্গেই আছি। ৬০ বছর ধরে গান করার জন্য মানুষের আশীর্বাদ আছে, ভালোবাসা আছে এবং সৃষ্টিকর্তার রহমত আছে। অনুভূতি অবশ্যই সুখকর ও আনন্দের।
দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারের অর্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সবই অর্জন। মানুষের ভালোবাসা পাওয়া বড় অর্জন। যেখানেই যাই মানুষের ভালোবাসা পাই। মানুষ আমার গান শুনেন, আমার জন্য মন থেকে দোয়া করেন। আমি আপ্লুত হই এত মানুষের ভালোবাসা পেয়ে। কাজেই আমি মনে করি সংগীত জীবনের বড় পাওয়া হচ্ছে মানুষের ভালোবাসা।
এতদূর আসার পেছনে কোনো সংগ্রাম করতে হয়েছে কী না সে প্রসঙ্গে রুনা লায়লা বলেন, আমাকে গান করার জন্য তেমন কোনো সংগ্রাম করতে হয়নি। ওপরওয়ালার রহমতে আমি গান করে গেছি। তবে, এতদূর আসার পেছনে আমার মায়ের অবদানই বেশি। মা আমাকে প্রচণ্ড সহযোগিতা করেছেন। যখনই গান গাইতে যেতাম ছোটবেলায় মা সঙ্গে যেতেন।
গান নিয়ে আগামীর ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গান নিয়েই যত ভাবনা। আগামীতে যেন আরও গাইতে পারি। নতুন নতুন গান করতে পারি। শ্রোতাদের জন্য ভালো ভালো গান উপহার দিতে চাই। গান নিয়েই আগামীর যত স্বপ্ন।
কে