দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শোবিজ অঙ্গনের নতুন মুখ আবিদ বিন পারভেজ প্রান্ত। অভিনয়ের শুরুটা বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে। ‘ক্লোজআপ কাছে আসার প্রতিদিনের গল্প’ বিজ্ঞাপন সিরিজে ‘লিফট টুগেদার’-এ অভিনয় করে নজর কাড়েন। ‘দুরন্ত বাইসাইকেল’-এর বিজ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে মডেলিংয়ে নাম লেখান।
২০১৯ সালে গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনে সাড়া পাওয়ার পর নিয়মিত ডাক পেতে থাকেন। সম্প্রতি নজর কেড়েছেন তানিম রহমান অংশুর ‘খালিদ’-এ। সামনে দেখা যাবে একাধিক প্রজেক্টে। কাজ, ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে প্রান্ত কথা বলেছেন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে।
অল্প সময়েই বেশ দর্শকপ্রিয়তা পাওয়ার পেছনের গল্প বলতি গিয়ে প্রান্ত বলেন, ২০১৯ সালে প্রথম ক্যামেরায় আসা। গ্রামীণফোনের বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। একে একে সাতটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি। এরপর অনির্বাণ ২০২৩ ফেস, ক্লোজআপ লিভ টুগেদার, কেএফসি, হজম, র্যাবের টিভিসি, বসুন্ধরা ফরচুন অয়েল, বিকাশ, দুরন্ত বাইসাইকেলের বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি। দুরন্ত বাইসাইকেলের অ্যাম্বাসাডর হিসেবে প্রথম লাইমলাইটে আসি আমি। সাম্প্রতিক সময়ে মুক্তি পায় পলাশ অভিনীত ‘খালিদ’। এটিও আমাকে দর্শকপ্রিয়তা এনে দিয়েছে। ওটিটিতেও কাজ করেছি। ওটিটির ফিল্ম ‘গ্যাংস্টার ব্রোজ’-এ ছিলাম। ইরফান সাজ্জাদ, পাভেল, নওবা ছিলেন এতে। আমার একটি ক্যামিও চরিত্র ছিল।
অভিনয়ে আসার পেছনে অনুপ্রেরণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অভিনয়ে আসার অনুপ্রেরণা আমার আব্বু পারভেজ বাবুল। তিনি একজন জার্নালিস্ট। আব্বু অভিনয় করতেন থিয়েটারে। ছোটবেলা থেকে উনি নায়ক হতে চাইতেন। তবে কর্মব্যস্ততায় অন্য পেশা বেছে নিতে হয়। আমি আব্বুর কাছ থেকে ইন্সপায়ার্ড। এছাড়া আম্মুও আমার অনুপ্রেরণা। আমার আম্মু সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী। তিনি পুরোদমে একজন গৃহিনী। যখন টুকটাক কাজ শুরু করি, আম্মু আমাকে সাপোর্ট দিয়েছেন অনেক। তিনি সবসময় আমাকে বড়পর্দায় দেখতে চান। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই অভিনয়ে পুরোদমে আসার সিদ্ধান্ত। এরপর ফিকশন করলাম, নির্মাতাদের সঙ্গে দেখা করা শুরু করলাম।
শাকিব খানের বেশ বড় ভক্ত এই তারকা বলেন, আমার আইডল শাকিব খান। তিনি বাংলাদেশের সুপারস্টার। আমাদের গর্ব। সাম্প্রতিক সময়ে ‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’ একের পর এক দুর্দান্ত কাজ উপহার দিয়েছেন তিনি। পর্দায় চরিত্রের রুপান্তর, ভয়েস টোন, অভিনয় দক্ষতা- সবমিলিয়ে তিনি এখন আমার অভিনয়ের আদর্শ। তাকেই গুরু মানা শুরু করেছি। তার মতো হিরো হওয়ার প্রচণ্ড ইচ্ছা। পর্দায় যেমন তিনি দুর্দান্ত, তেমনি ব্যক্তি জীবনেও ততটাই নীরব। যেকোনো কন্ট্রোভার্সিতে তিনি নিজেকে শান্ত রাখেন, কাজে ফোকাসড থাকেন। প্রমোশনাল বিষয় এভয়েড করেন। যা আমার খুব পছন্দ। আমার মাঝেও সেই বিষয়গুলো আছে। আমি শাকিব খানের মতো কোটি ভক্তের হিরো হতে চাই।
কে