দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা ঈশ্বর ঠাকুর গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ‘এফআইআর’ ও ‘ভাবিজি ঘর পার হ্যায় ২.০’-এর মতো ধারাবাহিকে অভিনয় করা এই অভিনেতা মহারাষ্ট্রের থানেতে চিকিৎসাধীন। কিডনি সংক্রমণের কারণে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার।
বুধবার ঈশ্বরের বোন জয়শ্রী তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার কথা জানান। একই সঙ্গে চিকিৎসার খরচ চালাতে পরিবারের পক্ষ থেকে অর্থসহায়তার আবেদন করেন তিনি।
জয়শ্রী জানান, ঈশ্বরের গুরুতর কিডনি সংক্রমণ হয়েছে। তার পায়ের একটি ক্ষত থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি। পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে দ্রুত আইসিইউতে ভর্তি করেন।
পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের সাধ্যমতো সঞ্চয়ের অর্থ চিকিৎসায় ব্যয় করা হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি, ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষাসহ অন্যান্য চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে অর্থসহায়তার জন্য ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে আবেদন করা হয়েছে।
জয়শ্রী আরও জানান, পরিবারের চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই ঈশ্বরের চিকিৎসা চলছে। তার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ওই চিকিৎসক অবগত এবং পরিবার তার তত্ত্বাবধানেই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে চায়।
এইচটি সিটির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে জয়শ্রী বলেন, ২০২০ সালে কোভিডের লকডাউনের প্রায় তিন মাস আগে পায়ে একটি ক্ষত থেকেই সমস্যার শুরু। ঈশ্বরের ডায়াবেটিস থাকায় ক্ষতটি ভালো হয়নি এবং পরে সংক্রমণ শরীরে ছড়িয়ে পড়ে বলে জানান তিনি। দুই থেকে তিন দিন আগে তার শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সাড়া দিচ্ছেন না বলেও জানান জয়শ্রী।
ঈশ্বর ঠাকুর মূলত হিন্দি টেলিভিশন ধারাবাহিকে পার্শ্ব ও কমেডি চরিত্রে অভিনয়ের জন্য পরিচিত। ‘এফআইআর’-এ গোলু চরিত্রে এবং ‘ভাবিজি ঘর পার হ্যায়!’-এ অনুরাগ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ছাড়া ‘মে আই কাম ইন ম্যাডাম?’ ও ‘জিজাজি ছাদ পার হ্যায়’-এর মতো ধারাবাহিকেও তাকে দেখা গেছে।
এর আগেও ঈশ্বর স্বাস্থ্য ও আর্থিক সংকটের কথা জানিয়েছিলেন। ২০২৩ সালে তিনি কিডনি-সংক্রান্ত শারীরিক সমস্যা এবং আর্থিক সংকটের কথা প্রকাশ্যে বলেছিলেন। সে সময় তার পরিবারের পাশে থাকার পাশাপাশি ‘ভাবিজি ঘর পার হ্যায়!’-এর সহশিল্পীরাও তাকে আর্থিকভাবে সহায়তা করেছিলেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
/অ