দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্যের বাসভবন ও পরিবহন দপ্তরে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় দুইটি মামলা করেছে প্রশাসন। এতে ১৪ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে নয় শতাধিক জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১২ জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।
আসামিরা হলেন- ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শাকিল হোসেন আইমুন, সংস্কৃত বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের দীপন বণিক দীপ্ত, শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের ২০১৯-২০ এর রিয়াদ হাসান রাব্বি, ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ এর নুর মোহাম্মদ মান্না, ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ এর সৌরভ ভূঁইয়া, পালি বিভাগের ২০১৮-১৯ এর আমিনুল ইসলাম, পদার্থবিদ্যা বিভাগের ২০১৫-১৬ এর শফিকুল ইসলাম, দর্শন বিভাগের ২০১৫-১৬ এর সাজ্জাদ হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০১৭-১৮ এর মো. ইমরান নাজির ইমন, ফারসি ভাষা ও সাহিত্যের ২০১৮-১৯ এর আনিসুর রহমান, ইতিহাস বিভাগের ২০১৮-১৯ এর নাসির উদ্দিন মো. সিফাত উল্লাহ, সংস্কৃত বিভাগের ২০১৮-১৯ এর অনিক দাশ, বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ এর অনিরুদ্ধ বিশ্বাস এবং একই বিভাগের মো. আজিমুজ্জামান।
সাজ্জাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম সাধারণ শিক্ষার্থী। বাকিরা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত পাঁচজন ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপুর অনুসারী ছয়জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াসের অনুসারী আছেন একজন।
এর আগে শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) হাটহাজারী থানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কেএম নূর আহমেদ এবং প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলা দুটি দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাতে শাটল ট্রেনের ছাদে যাতায়াত করতে গিয়ে গাছের আঘাতে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থী আহত হন। এর পরপরই শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে জড়ো হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। এর মধ্যে আহত একজন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থীরা ক্ষিপ্ত হয়ে জিরো পয়েন্টে অবস্থিত পুলিশ বক্স, উপাচার্যের বাসভবন, পরিবহন দপ্তর ও শিক্ষক ক্লাবে ব্যাপক ভাঙচুর চালান।
আরএ