দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

খেলাপি ঋণ, রাজস্ব ঘাটতি আর ঋণনির্ভর বাজেট দেশের অর্থনীতিতে যেন এক চিরচেনা চিত্র। এর মধ্যেই আসছে আগামী অর্থবছরের বাজেট। এতে বাড়ছে ঋণনির্ভরতা। ঘাটতি মেটাতে দেশি-বিদেশি উৎস থেকে বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ব্যাংকখাত থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিলে সুদের হার কমানোর সুযোগ সীমিত হবে। কমতে পারে বেসরকারি বিনিয়োগও। অন্যদিকে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বিদেশি ঋণ পাওয়া হয়ে উঠতে পারে আরও কঠিন। তাই শুধু ঋণ নয়, রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনায় কঠোরতার ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
এ প্রসঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি প্রায় দুই লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের, যা জিডিপির ৩.৪ শতাংশ।
তিনি বলেন, আসন্ন বাজেটে শুধু ঋণের পরিমাণ বাড়ানো নয় বরং রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, খেলাপি ঋণ কমানো এবং ব্যয় ব্যবস্থাপনায় কঠোর হতে হবে। সেইসঙ্গে ধীরে ধীরে ঋণনির্ভর বাজেটের চক্র থেকে বের হয়ে টেকসই অর্থনীতি গড়তে হবে।
সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, দেশীয় ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে অতিরিক্ত ঋণ নিলে বেসরকারিখাতে ঋণপ্রবাহ সংকুচিত হতে পারে। এতে সুদের হার কমানোর সুযোগও সীমিত হয়ে পড়বে। আবার বৈশ্বিক বাস্তবতায় বিদেশি ঋণ পাওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে।
নতুন সরকারের প্রথম বাজেটের লক্ষ্য উন্নয়ন ব্যয় ধরে রাখা, তবে বাড়ছে ঋণনির্ভরতার চাপ। এক্ষেত্রে, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর শর্ত ও সুপারিশও থাকছে আলোচনায়।
কে