দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএডিসি) সার আমদানির ক্ষেত্রে জি-টু-জি চুক্তি লঙ্ঘন করে বিদেশি বেসরকারি কোম্পানির মাধ্যমে নিম্নমানের ও ভেজাল সার আমদানির অভিযোগ উঠেছে।
সূত্রের বরাতে জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে বিএডিসি কানাডা থেকে জি-টু-জি চুক্তির মাধ্যমে পটাশ সার আমদানি করে আসছিল। পূর্বের চুক্তিতে প্রতি বছর ২ লাখ মেট্রিকটন সার আমদানি করলে ৫% মূল্য ছাড় পাওয়া যেত। কিন্তু চলতি বছরের নতুন চুক্তিতে ন্যূনতম ৫ লাখ মেট্রিকটন সার আমদানি করতে হবে ৫% ছাড় পেতে।
অভিযোগ রয়েছে, বিএডিসি চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল আমিন খান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ‘কো-শিপমেন্ট’ নিয়ম চালু করেছেন। এর ফলে বিএডিসির ভাড়া করা জাহাজে অন্য দেশ বা প্রতিষ্ঠানকে সার আমদানির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, জুলাই মাসে কানাডা থেকে আসা জাহাজের ২০ হাজার মেট্রিকটন সার ইন্দোনেশিয়ার একটি বেসরকারি কোম্পানির জন্য খালাস করা হয়, বাকি সার বাংলাদেশে আসে। সেপ্টেম্বর মাসে একইভাবে ৩০ হাজার মেট্রিকটন সার ভারতে খালাস করা হয়েছে।
এছাড়া সম্প্রতি বিএডিসির চেয়ারম্যান মোঃ রুহুল আমিন খান সস্ত্রীক কানাডা সফরে গেছেন। তার সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৩ কর্মকর্তা (একান্ত সচিব কাজী হাফিজুল আমিন, বিএডিসির সদস্য পরিচালক মোঃ মজিবুর রহমান ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান) সফর করেছেন। সরকারি অনুমতি ছাড়া যাওয়া এবং পরিচয় গোপন রাখার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তারা ২১ নভেম্বর দেশে ফিরবেন।
এই অভিযোগের বিষয়ে মোবাইলে বিএডিসি চেয়ারম্যানকে কল করা হলেও তিনি ধরেননি এবং খুদেবার্তা পাঠানো হলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
এমএস/