দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্যসচিব আজিজুর রহমান মুসাব্বির হত্যা মামলায় তিন আসামিকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। সোমবার ১২ জানুয়ারি ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ আদেশ দেন। মামলার আরেক আসামি জিন্নাহ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন মো. বিল্লাল, মো. আব্দুল কাদির ও মো. রিয়াজ। এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আমিনুল চার আসামিকে আদালতে হাজির করে তিনজনের রিমান্ড এবং জিন্নাহর জবানবন্দি রেকর্ডের আবেদন করেন।
শুনানির সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন। তবে তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। রাষ্ট্রপক্ষের মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত জিন্নাহকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন এবং বাকি তিনজনকে ডিবি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঢাকা, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিল্লাল ছিলেন হত্যাকাণ্ডের মূল সমন্বয়কারী, জিন্নাহ সরাসরি গুলি চালান, রিয়াজ ঘটনাস্থলে আগে থেকে নজরদারি করেন এবং কাদির আসামিদের পালাতে সহায়তা করেন।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এই হত্যার পেছনে ব্যবসায়িক বিরোধের তথ্য পাওয়া গেছে। পাশাপাশি কারওয়ান বাজার এলাকায় চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক বিরোধের বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং এর নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদেরও শনাক্ত করা হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ৭ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে কারওয়ান বাজারের স্টার গলিতে আজিজুর রহমান মুসাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় পান্থপথের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এমএস/