দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা ছিলেন তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি। মঙ্গলবার মিন্টো রোডের ডিবি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।
ডিবি প্রধান জানান, তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর। তার নির্দেশেই শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
হত্যার কারণ সম্পর্কে শফিকুল ইসলাম বলেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় হাদিকে লক্ষ্য করে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়।
তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় ফয়সাল করিম মাসুদসহ মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং পাঁচজন পলাতক রয়েছেন।
অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ভিডিওবার্তা প্রসঙ্গে ডিবি প্রধান বলেন, ‘ভিডিওবার্তা দিতেই পারে, তবে তদন্তে তার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।’
ডিবির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদির মাথায় গুলি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। হাদির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।
এমএস/