দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

এডিসি হারুন বলেন, এই ধর ধর ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী। এর পর প্রায় ১০ থেকে ১২ জন সদস্য আমাকে লাথি, চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। মুখ নিরাপদ রাখতে আমি দুই হাত দিয়ে ধরে রাখি। এ সময় এডিসি হারুন একটি পিস্তলের পেছনের অংশ দিয়ে আমার মুখের সামনের অংশে শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে পেটাতে থাকে। একপর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। সেদিনের ঘটনার নিয়ে গণমাধ্যমকে এভাবে বর্ণনা দিয়েছেন নির্যাতনের শিকার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফজলুল হক হলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন নাঈম।
বর্তমানে শারীরিক অবস্থার বিষয়ে এই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, সামনের অনেকগুলো দাঁত আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। কিন্তু পড়ে যায়নি। নাকের ওপরের অংশের হাড় ভেঙে গেছে। নাকের সার্জারি করতে হবে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। তরল ও নরম খাবারের বাইরে কিছুই খেতে পারছি না।
শনিবার রাতে শাহবাগ থানায় ছাত্রলীগের দুই কেন্দ্রীয় নেতাকে মারধর করেন এডিসি হারুন অর রশীদ। এ ঘটনায় দেশব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি হয়। হারুনকে প্রথমে সাময়িক বরখাস্ত করা হলেও পরে রংপুর রেঞ্জে বদলি করা হয়।
এ ঘটনা নিয়ে ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ বুধবার দাবি করেন, এডিসি হারুনকে প্রথমে মারধর করেন সানজিদার স্বামী এপিএস আজিজুল হক মামুন। সেই ঘটনাও তদন্ত করা উচিত।
এর আগে মঙ্গলবার গণমাধ্যমে কথা বলেন এডিসি সানজিদাও। তিনি দাবি করেন, স্বামী মামুনই প্রথম এডিসি হারুনের গায়ে হাত তোলেন।
শনিবার রাতে রাজধানী শাহাবাগ থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেন অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদ। ।
এঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার হারুন অর রশিদকে রংপুর রেঞ্জ উপমহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হারুন অর রশিদকে সাময়িক বরখাস্ত করে পুলিশ অধিদপ্তরে সংযুক্ত করেছিল।
এডিসি সানজিদার বিভিন্ন বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্টসূত্রে জানা যায়।
এফএইচ