দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
রোববার (৩০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সফরসঙ্গীদের নিয়ে হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নে অবস্থিত তিস্তা অবসর রেস্ট হাউসে পৌঁছান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
রেস্ট হাউসের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি। সভায় তিস্তা ব্যারেজের পরিচালনা, পানি বণ্টন ও উত্তরাঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়।
মতবিনিময় সভায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক রুহুল আমিন, উত্তরাঞ্চল রংপুরের প্রধান প্রকৌশলী ড. সরফরাজ বান্দ, রংপুর সার্কেল-১-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব, সার্কেল-২-এর তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমান, ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চন্দ্র, হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপজন মিত্র ও ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন এবং নীলফামারী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় শেষে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট থেকে ১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত রাষ্ট্রদূত তিস্তা ব্যারেজের নিয়ন্ত্রণকক্ষ ঘুরে দেখেন। এ সময় তিনি তিস্তা নদীর বর্তমান পানির স্তর, সেচ ক্যানেলে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং ব্যারেজের মূল সেতু পায়ে হেঁটে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে ব্যারেজ ও আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
রেস্ট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ শেষে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টের উদ্দেশে তিস্তা ব্যারেজ এলাকা ত্যাগ করেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে আকাশপথে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে লালমনিরহাট ও পঞ্চগড় ছাড়াও ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও নীলফামারীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর।
এমএস/