দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাস মালিক সমিতির বিরুদ্ধে যাত্রী ওঠাতে বাধা ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে ধর্মঘট শুরু করেছেন বরিশালের মাহিন্দ্রা ও সিএনজি চালকেরা। তাদের অবস্থানের কারণে বরিশাল থেকে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটে লোকাল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে মাঝপথে আটকা পড়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।
মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান নেন মাহিন্দ্রা ও সিএনজি চালকেরা। এ সময় তারা মহাসড়কে চলাচলকারী কয়েকটি লোকাল বাস আটকে দেন। বরিশাল থেকে ছেড়ে যাওয়া এবং ভুরঘাটা থেকে আসা কয়েকটি বাসও আটকে মীরগঞ্জ সড়কে পার্ক করে রাখা হয়।
থ্রি-হুইলার চালকদের ভাষ্য, তাদের সমস্যা নিয়ে সোমবার প্রশাসনের উদ্যোগে বাস মালিক ও থ্রি-হুইলার শ্রমিকদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়নি। এর প্রতিবাদেই তারা ধর্মঘটে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
মাহিন্দ্রা চালক আলী হোসেন, লিটন হাওলাদার, সাহাদাত, ফারুক ও মোস্তফা অভিযোগ করেন, নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে যাত্রী ওঠানোর সময় বাস মালিক সমিতির কর্মচারীরা তাদের গালাগাল ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করেন। মাহিন্দ্রায় যাত্রী ওঠাতেও বাধা দেওয়া হয়। তাদের দাবি, সরকারকে নিয়মিত কর দিয়ে গাড়ি চালানোর পরও তাদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।
সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন চালকেরা।
এদিকে হঠাৎ করে লোকাল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বিভিন্ন বাস থেকে যাত্রীদের মাঝপথে নামিয়ে দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এতে নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা বেশি বিপাকে পড়েছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমঝোতা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই