দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন ও ইউপি সদস্য এবং মোগলহাট ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য স্থগিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুকুর আলীর বিরুদ্ধে সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের তদন্ত ও প্যানেল চেয়ারম্যানের অপসারণের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে ব্যানার কেড়ে নেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও ভুক্তভোগীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, ত্রাণসহ বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের টাকা যথাযথভাবে বিতরণ না করে আত্মসাৎ করেছেন। এসব অনিয়মের সঙ্গে ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা শুকুর আলীও জড়িত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধন চলাকালে ইউপি সদস্য শুকুর আলী ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে ব্যানার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে আন্দোলনকারীদের কথা-কাটাকাটি ও হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, মোগলহাট ইউনিয়নের ইটাপোতা কলোনি জামে মসজিদের সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য সরকারিভাবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন মসজিদ কমিটির সভাপতিকে ৬৮ হাজার টাকা বুঝিয়ে দেন। বাকি ১ লাখ ৮২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
বক্তারা বলেন, জনগণের টাকা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ অর্থ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং দুলাল হোসেনকে প্যানেল চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণের দাবি জানান তাঁরা।
তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনোনিতা দাস বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমএস/