দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

৯ দশমিক ৩৭ টাকা বা ৫ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণের দাবিতে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন চা-শ্রমিকরা।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে উপজেলার মুরইছড়া চা-বাগানে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মুরইছড়া চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ও চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য জয়কৃষানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক এস এম শুভ, সমন্বয়ক মনীষা ওয়াহিদসহ শ্রমিক নেতারা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বর্তমানে একজন চা-শ্রমিকের দৈনিক মজুরি ১৮৭ টাকা। জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও সেই তুলনায় তাদের মজুরি বাড়েনি। কোনো কোনো বাগানে দৈনিক হাজিরা নিশ্চিত করতে ২৩ থেকে ২৫ কেজি চা-পাতা তুলতে হয়।

তারা অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী ৫ শতাংশ হারে মজুরি বাড়িয়ে মাত্র ৮ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছিল। এবার নতুন করে ৫ শতাংশ বা ৯ দশমিক ৩৭ টাকা মজুরি বৃদ্ধির প্রস্তাবও চা-শ্রমিকদের জন্য অপ্রতুল। তাই তারা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন।
সমাবেশে ৫ শতাংশ মজুরি বৃদ্ধির গেজেট বাতিল করে দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণ, ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন এবং দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে মজুরি নির্ধারণের দাবি জানানো হয়।
বক্তারা আরও বলেন, চা উৎপাদন বাড়লেও শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নতি হচ্ছে না। নিলামে চায়ের দাম বাড়লেও মালিকপক্ষ শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে তারা অভিযোগ করেন। ২০২২ সালের মজুরি বৃদ্ধির বকেয়া পরিশোধ এবং চা-শ্রমিক ইউনিয়নের দ্রুত নির্বাচন দেওয়ার দাবিও জানান তারা।
প্রধান সমন্বয়ক এস এম শুভ বলেন, ২০২২ সালে চা-শ্রমিকরা ১৯ দিন আন্দোলন করে মজুরি বৃদ্ধি আদায় করেছিলেন। এবারও রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে ন্যায্য মজুরি আদায় করতে হবে। দৈনিক ৫০০ টাকা মজুরি নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
এমএম/