দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী এলাকায় সম্ভাব্য পুশ-ইন ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গ্রামবাসীদের পাশাপাশি সীমান্তে বিজিবিও সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঝিনাইগাতী উপজেলার মেঘালয় সীমান্তসংলগ্ন গোমরা গ্রামের বাসিন্দারা ১৫ থেকে ২০ জনের পৃথক কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে জিরো পয়েন্টের কাছাকাছি অবস্থান নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন।
গ্রামবাসীদের দাবি, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ওই সীমান্ত দিয়ে চারজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এরপর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, রাতের আঁধারে আবারও একই ধরনের চেষ্টা হতে পারে।
গোমরা গ্রামের সমাজসেবক আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমাদের কাছে খবর আছে, সীমান্তের ওপারে প্রায় দুই শতাধিক মানুষকে এনে রাখা হয়েছে। তাদের যেকোনো সময় এ সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা করা হতে পারে। তাই আমরা দিন-রাত পাহারা দিচ্ছি। আমাদের পাশাপাশি বিজিবিও সতর্ক রয়েছে।’
স্থানীয় যুবক আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ‘আমাদের গ্রামের লোকজন বিভিন্ন সবজিক্ষেতে রাতের বেলা অবস্থান নিচ্ছে, যাতে বিএসএফ অবৈধভাবে কাউকে আমাদের দেশে ঠেলে দিতে না পারে। দেশের স্বার্থে আমরা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি।’
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ বলেন, ‘সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার প্রতিরোধে বিজিবি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে। এর সঙ্গে এখন সম্ভাব্য পুশ-ইন প্রতিহত করার বিষয়টিও যুক্ত হয়েছে। এখন পর্যন্ত শেরপুর সীমান্ত দিয়ে কোনো পুশ-ইনের ঘটনা ঘটেনি। সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’
এমএম/