দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় জমিজমা নিয়ে বিরোধে মারপিটে আহত জামায়াত নেতা সম্রাট হোসেন বাপ্পা (৪১) মারা গেছেন। তিনি জামায়াতে ইসলামী দুপচাঁচিয়া সদর ইউনিয়ন যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি এবং ভেলুরচক গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের চাচা বিএনপি নেতা আব্দুল করিম ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাত ১২টার দিকে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ২৫ জুন জমিজমা নিয়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এতে সম্রাট হোসেন বাপ্পা গুরুতর আহত হন।
পুলিশ জানায়, ভেলুরচক গ্রামের বাসিন্দা রফিক আকন্দ (৬৮) এবং তার ছোট ভাই বিএনপি নেতা আব্দুল করিম আকন্দের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ২৫ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ছোট ভাই আব্দুল করিম তার লোকজন নিয়ে রফিক আকন্দের ওপর হামলা করে। এসময় পিতাকে বাঁচাতে রফিক আকন্দের ছেলে জামায়াত নেতা সম্রাট হোসেন বাপ্পা এগিয়ে গেলে তার ওপরও হামলায় করা হয়। এ ঘটনায় রফিক আকন্দ ও তার স্ত্রী জোসনা বেগম (৬২) আহত হন। তাদেরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাপ্পার শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হলে পরের দিন ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাতে সম্রাট মারা যান।
এদিকে, এ ঘটনায় সম্রাটের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে ২৭ জুন দুপচাঁচিয়া থানায় ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল করিম আকন্দসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ ১ জুলাই রাতে জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর থানার দাড়ালকুল গ্রাম থেকে বিএনপি নেতা আব্দুল করিম এবং তার স্ত্রী মিথিলাকে গ্রেপ্তার করে।
দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান জানান, একই পরিবারে এক ভাই বিএনপির রাজনীতি করেন, আরেক ভাই জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এতে আহত একজন ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
/অ