দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি এবং দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে জাপানের সহায়তায় পাঁচটি উচ্চগতির পেট্রোল বোট যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাপানের Official Security Assistance (OSA) কর্মসূচির আওতায় দেওয়া বোটগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি। অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধি দল, নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
নৌবাহিনীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদারত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে পাঁচটি উচ্চগতির পেট্রোল বোট সংগ্রহে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়। নোট বিনিময়ের মাধ্যমে একই বছর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।
প্রকল্পের আওতায় নির্মিত বোটগুলো গত ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। পরে জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বানৌজা নির্ভীকে নৌবাহিনীর সদস্যদের বোট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি বোটের দৈর্ঘ্য ১৬ দশমিক ১৫ মিটার, প্রস্থ ৩ দশমিক ৫৩ মিটার এবং গভীরতা ১ দশমিক ৭৮ মিটার। ১৩ দশমিক ৫ টন ধারণক্ষমতার এসব বোট ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলতে সক্ষম।
কম গভীরতার জলপথে চলাচলের উপযোগী হওয়ায় দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় এলাকার সংকীর্ণ এবং দুর্গম নৌপথে অভিযান পরিচালনায় বোটগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে নৌবাহিনী।
এছাড়া সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, টহল ও নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবিলাসহ বিভিন্ন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রেও এসব বোট ব্যবহৃত হবে।
নৌবাহিনীর মতে, জাপানের OSA কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এই প্রকল্প বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দুই দেশের প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণেও ভূমিকা রাখবে।
জে আই