4913f64e265c3cd34fbd22f13b17a649
দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: digital@desh.tv

ঝালকাঠি জেলায় ২৫ জন ব্যক্তির নামে ইস্যুকৃত ৩৩টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করেছে জেলা প্রশাসন।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন গত ৪ জুন এ সংক্রান্ত আদেশে স্বাক্ষর করেন বলে জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে।
প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া লাইসেন্সগুলো ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের মধ্যে ইস্যু করা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে যাচাই-বাছাই শেষে অস্ত্র লাইসেন্স নীতিমালার আওতায় এসব লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে ‘দ্য আর্মস অ্যাক্ট, ১৮৭৮’-এর ২৬ ধারার ক্ষমতাবলে সব লাইসেন্সধারীকে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের আগ্নেয়াস্ত্র নিজ নিজ থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দেওয়া অস্ত্রগুলো যাচাই শেষে ফেরত দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসনের হিসাবে, ঝালকাঠি জেলায় থাকা শতাধিক আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পর্যালোচনার পর ২৫ জনের নামে থাকা মোট ৩৩টি লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির আগে এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে ইস্যু হওয়া লাইসেন্সগুলো আপাতত বহাল থাকবে। আর ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে নেওয়া লাইসেন্সগুলো বাতিল করা হয়েছে।
বাতিল হওয়া লাইসেন্সধারীদের মধ্যে রয়েছেন ঝালকাঠি সদর উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক সেলিম ও খান আরিফুর রহমান, সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, আইন সম্পাদক রুহুল আমিন রিজভী, পৌর কাউন্সিলর কামাল শরীফ, রেজাউল করিম জাকির ও হাফিজ আল মাহমুদ।
এ ছাড়া কীর্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া, গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লিটন, নবগ্রাম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুল হক আকন্দসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর নাম রয়েছে তালিকায়।
রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলার কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা, ইয়াসমীন পপি, চন্দ্র শেখর হালদার, শাহীন মৃধা ও আরিফ হোসেনের লাইসেন্সও বাতিল হয়েছে। জাতীয় পার্টির নেতা এম. এ. কুদ্দুস খানের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সও বাতিলের তালিকায় রয়েছে।
অন্যদিকে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী যেসব লাইসেন্সধারী এখনো তাদের আগ্নেয়াস্ত্র থানায় জমা দেননি, সেসব অস্ত্র অবৈধ হিসেবে গণ্য করে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বহাল থাকা লাইসেন্সধারীদের অস্ত্র ফেরত দেওয়া হবে।
জে আই