দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার অর্ধগলিত মরদেহ মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পুরান পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ।
শনিবার (১৬ মে) বিকেল চারটার দিকে ঘোড়দৌড় এলাকায় ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মাদ ইলিয়াছ জানান, দুপুর সোয়া একটার দিকে স্থানীয়রা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। দীর্ঘ সময় পানিতে থাকায় মরদেহটি অর্ধগলিত ও বিকৃত হয়ে গেছে। মুখমণ্ডল ও আঙুলের কিছু অংশ খসে পড়েছে বলেও জানান তিনি।
নিহতের স্বজনরা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহটি কাপাসিয়ার আলোচিত পাঁচ হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার।
গত ৮ মে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামে সিঙ্গাপুরপ্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া ফোরকান মিয়ার বিরুদ্ধে তার স্ত্রী শারমিন খানম (৩০), মাদরাসাছাত্রী বড় মেয়ে মীম খানম (১৫), মেজ মেয়ে উম্মে হাবিবা (৮), ছোট মেয়ে ফারিয়া (২) এবং শারমিনের ভাই রসুল মিয়া (২২)-কে গলাকেটে ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহত শারমিনের বাবা শাহাদাৎ মোল্লা বাদী হয়ে কাপাসিয়া থানায় ফোরকানকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করা হয়েছে।
কাপাসিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. যোবায়ের ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বজনদের মাধ্যমে মরদেহটির পরিচয় প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছেন। চূড়ান্ত শনাক্তের জন্য ময়নাতদন্ত ও ডিএনএ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এদিকে, হাইকোর্টের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম মোল্লা বলেন, তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ না মিললে পুলিশ আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিলের মাধ্যমে মামলার কার্যক্রম শেষ করতে পারে।
জে আই