দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বাস ডুবির ঘটনায় চতুর্থ দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে ফায়ার সার্ভিস। তবে বৈরী আবহাওয়ায় পদ্মা নদী উত্তাল থাকায় উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে চতুর্থ দিনের মতো উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন বলে জানিয়েছেন রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা। উদ্ধারকারী দল ফেরিঘাটের পন্টুন সরিয়ে তার নিচের অংশে অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। পন্টুন সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঘাটে বিআইডব্লিউটিএর রেকার মেশিন এবং নদীতে একটি টাগবোট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ায় নদী উত্তাল থাকায় উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। ঝড়ো বাতাস কমলেই বিআইডব্লিউটিএর রেকার মেশিন দিয়ে পন্টুন সরিয়ে নেওয়া হবে। এরপর পন্টুনের নিচের অংশে অভিযান চালানো হবে।’
শনিবারও ঘাট এলাকায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে অপেক্ষারত কোনো স্বজনের উপস্থিতি দেখা যায়নি।
এর আগে বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর একটি যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে ডুবে যায়।
ঘটনার পরপরই জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। পরে বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।
দুর্ঘটনার পর প্রথমে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ক্রেনের সাহায্যে বাসটি তোলা হলে মৃতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা। উদ্ধার অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
এমএস/