দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পূর্বাচল উপশহর এলাকায় গভীর রাতে গোপনে ঘোড়া জবাইয়ের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে জড়িত চক্রটি পালিয়ে গেলেও ঘটনাস্থল থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রূপগঞ্জ উপজেলা-এর পূর্বাচলের ১০ নম্বর সেক্টরের হারার বাড়ি এলাকায় একটি নির্জন খালি প্লটে দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র গোপনে ঘোড়া জবাই করে আসছিল। শুক্রবার গভীর রাতে একই কৌশলে প্রায় ২০টি ঘোড়া সেখানে আনা হয় এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী একে একে সেগুলো জবাই করা হচ্ছিল।
রাত আনুমানিক ৩টার দিকে প্লটের মালিক ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি দেখতে পেয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও র্যাব-১-এর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে জবাইকারী চক্রটি দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে র্যাব সদস্যরা সেখান থেকে ১১টি জীবিত ঘোড়া উদ্ধার করে। এর আগে অন্তত ৯টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পূর্বাচলের বিস্তীর্ণ নির্জন এলাকা এবং পর্যাপ্ত নজরদারির অভাবকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই চক্রটি এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস হিসেবে পূর্বাচল, খিলখেত, বসুন্ধরা, বাড্ডা ও উত্তরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করা হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এর আগেও একাধিকবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালালেও চক্রটির মূল হোতারা প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। মাঝে মধ্যে কয়েকজনকে আটক করা হলেও এখনো মূল পরিকল্পনাকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, শুধু পূর্বাচলেই নয়, গাজীপুর ও নরসিংদীসহ আশপাশের এলাকাতেও তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত থাকতে পারে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবজেল হোসেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জে আই